×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০৩ অগস্ট ২০২১ ই-পেপার

স্কুলে বিক্ষোভ, ঘেরাও প্রধান শিক্ষিকা

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৫ মার্চ ২০১৪ ০৬:২৮

ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করানোর দাবিতে বিক্ষোভ এখন নতুন কিছু নয়। তবে এ বার পরীক্ষায় আরও ভাল করার জন্য স্কুলের তরফে যে প্রস্তুতির ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা মানতে রাজি না হয়ে বিক্ষোভের পথে হাটল একদল ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকেরা। প্রথমে থানা, পরে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে প্রধান শিক্ষিকাকে ঘিরে চলল তুমুল বিক্ষোভ। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বালি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে (মেকলে)।

স্কুল ও পুলিশ সূত্রের খবর, বালির ওই স্কুল থেকে বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও কলা বিভাগ মিলিয়ে প্রায় ১৯০ জন ছাত্রী এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। কিন্তু টেস্ট পরীক্ষায় বেশ কয়েক জন ছাত্রী কয়েকটি বিষয়ে খুবই কম নম্বর পেয়েছিলেন। এর পরে গত ১৮ ডিসেম্বর স্কুলের তরফে ওই সমস্ত ছাত্রীদের অভিভাবকদের থেকে একটি মুচলেখা নেওয়া হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই অভিভাবকদের জানান, ছাত্রীদের জন্য বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাতে ওই কম নম্বর পাওয়া ছাত্রীদের আসতে হবে। স্কুলের তরফে অভিযোগ, বিশেষ ওই প্রস্তুতির ক্লাসে অনেক ছাত্রীই ঠিক মতো আসেননি। তাই এ দিন তাদের অ্যাডমিট কার্ড দিতে চাননি স্কুল কর্তৃপক্ষ। বরং তাঁরা দাবি করে ওই কম নম্বর পাওয়া ছাত্রীদের আগামী দু’দিন নির্দিষ্ট বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে প্রমাণ করতে হবে তারা ওই বিষয়ে তৈরি হয়েছে কি না।

কিন্তু এই বিষয়টিই মেনে নিতে চায়নি ৬০ জন মতো ছাত্রী। তারা অ্যাডমিট কার্ডের দাবিতে প্রথমে বালি থানায় গিয়ে চেঁচামেচি করে। সেখান থেকে তাদের জানানো হয় বিষয়টি স্কুলের বিবেচনাধীন। তাই যা করার স্কুলই করবে। এর পরে ওই ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকেরা স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষিকা মণিদীপা দাস-সহ অন্যান্য শিক্ষিকাদের ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মণিদীপাদেবীকেও ঘিরে চলে বিক্ষোভ। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ওই বিক্ষোভ চলার পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ অ্যাডমিট কার্ড দিতে রাজি হলে বিক্ষোভ ওঠে।

Advertisement

মণিদীপাদেবী বলেন, “অ্যাডমিট কার্ড আটকানোর ক্ষমতা আমার নেই। তবে ছাত্রীরা যাতে কম নম্বর পাওয়া বিষয়ে আরও ভাল করে প্রস্তুতি নিতে পারে, সে জন্যই বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করেছিলাম। তাতেও অনেকে এল না। তাই দু’দিন পরে বলেছিলাম পরীক্ষা নেব। যাতে ওরা ভাল করে প্রস্তুতি নেয়। তারই উল্টো অর্থ করা হল।”

Advertisement