Advertisement
E-Paper

১৪ বছর হাওড়ায় বাস, ভোটদানও করেছেন, চার সন্তানসমেত জগাছা থেকে গ্রেফতার বাংলাদেশি দম্পতি!

প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানাচ্ছে, ১৪ বছর ধরে এ দেশে অবৈধ ভাবে ছিলেন বাংলাদেশি দম্পতি। সীমান্তে দালালদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢোকেন রমজান এবং আরিফা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ২১:১৭
Bangladeshi Nationals Arrest

পুলিশের হাতে গ্রেফতার বাংলাদেশি দম্পতি। —নিজস্ব চিত্র।

হাওড়ার জগাছা থানা এলাকায় গ্রেফতার বাংলাদেশি দম্পতি। ধৃতদের নাম রমজান গাজি এবং আরিফা বেগম। বয়স যথাক্রমে ৩৬ এবং ৩৪ বছর।

পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জগাছা থানার একটি বাড়িতে হানা দিয়েছিল তারা। ‘হাতেনাতে’ ধরা পড়েছেন বাংলাদেশের দুই বাসিন্দা। সম্পর্কে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে বাড়িতে চার সন্তান ছিল। তাদের মধ্যে দু’জনের বয়স সাত বছরের বেশি নয়। তাই দুই শিশুকে লিলুয়ার একটি হোমে পাঠানো হয়েছে। বাকি দু’জনকে তাদের মায়ের সঙ্গে আটক করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানাচ্ছে, ১৪ বছর ধরে এ দেশে অবৈধ ভাবে ছিলেন বাংলাদেশি দম্পতি। সীমান্তে দালালদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢোকেন রমজান এবং আরিফা। তখন থেকেই হাওড়ার জগাছা থানার উনসানি মাঝেরপাড়া এলাকায় তাঁদের বসবাস। রমজান স্থানীয় বাজারে ডাব, তাল ইত্যাদি বিক্রি করে সংসার চালাতেন। ২০১৪ সাল নাগাদ নকল কাগজপত্র দেখিয়ে রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট ইত্যাদি বানিয়েছিলেন তাঁরা। এমনকি, গত লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানও করেছেন ওই দম্পতি।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ যায় রমজান এবং আরিফার। তাই এ বারের বিধানসভা ভোট দেওয়া হয়নি। শনিবার রাতে জগাছা থানার পুলিশ অনুপ্রবেশের অভিযোগে দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের বিরুদ্ধে ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট’-এ মামলা দায়ের করেছে।

বৃহস্পতিবার হাওড়ার নিউ কালেক্টরেট বিল্ডিংয়ে উচ্চ পর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, হাওড়া স্টেশন থেকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাঁদের যেন সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। আবার বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। ওই সমস্ত ‘হোল্ডিং সেন্টার’-এ সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃতেরা তো বটেই, যাঁরা এর আগে ধরা পড়েছিলেন এবং বন্দি ছিলেন, যাঁদের দেশের বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, তাঁদেরও সেখানে রাখা যাবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

Bangladeshis Howrah Suvendu Adhikari
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy