এ বার তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ট্রাফিক হোমগার্ড। ঘটনাস্থল হাওড়ার সাঁকরাইল থানা। অভিযোগ, বছর চারেক ধরে এলাকায় তোলাবাজি করতেন তিনি। যদিও পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতারির আগেই চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দেওয়া হয়েছে অভিযুক্তকে। তাই তাঁকে প্রাক্তন হোমগার্ড বলা যেতে পারে।
রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তোলাবাজি, ঘুষ নেওয়া, কাজের টোপ দিয়ে টাকা নেওয়া, সরকারি প্রকল্প থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ পেলেই পদক্ষেপ করা হবে। তার পর রাজ্য জুড়ে একের পর এক গ্রেফতারি চলছে। গত রবিবার থেকে এই রবিবার পর্যন্ত তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারির সংখ্যা ৭০ পেরিয়ে গিয়েছে। রবিবার বাঁকুড়ায় দুই তৃণমূল নেতার জেল হেফাজত হয়েছে। এ বার সেই তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন এক হোমগার্ড।
পুলিশ সূত্রে খবর, সাঁকরাইল থানার মানিকপুরের ট্রাফিক হোমগার্ডের কাজ করতেন শাহিন মোল্লা ওরফে সানি। শনিবার রাতে সাঁকরাইল থানার পুলিশ রঘুদেববাটি শ্রীকৃষ্ণচক গ্রামে অভিযুক্তের বাড়িতে যায়। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় সানিকে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, হোমগার্ডের চাকরি করলেও থানায় বেশ প্রভাব ছিল শাহিনের। গত চার-পাঁচ বছর ধরে এলাকায় তোলাবাজি করতেন তিনি। বর্তমানে ওই এলাকার এক সমাজকর্মী ওই ট্রাফিক হোমগার্ডের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছিলেন। তার ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
শাহিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পরই হাওড়া সিটি পুলিশ পদক্ষেপ করেছে বলে খবর। গত ২২ মে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। রবিবার ধৃতকে হাওড়া আদালতে তোলা হয়।