E-Paper

ই-সাক্ষ্য অ্যাপ কলকাতা পুলিশেও

প্রায় দু’বছর আগে দেশ জুড়ে চালু হয়েছিল ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস) আইন। যাতে বলা হয়েছে, কোনও ঘটনার তদন্তে তল্লাশি বা বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ার ভিডিয়ো করে তা আদালতে দিতে হবে।

শিবাজী দে সরকার

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ০৬:০১

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

অবশেষে কলকাতা পুলিশে চালু হতে চলেছে ই-সাক্ষ্য অ্যাপ। যার মাধ্যমে তদন্তকারী অফিসারেরা তল্লাশি বা বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া ফোনে রেকর্ড করে ওই অ্যাপের মাধ্যমে বিচারকের কাছে পাঠাতে পারবেন। সব ঠিক থাকলে এ মাসের শেষ সপ্তাহে সব তদন্তকারী অফিসারকে ওই অ্যাপের মাধ্যমেই বাজেয়াপ্ত হওয়া সামগ্রী বা নথির তথ্য আপলোড করতে হবে।

উল্লেখ্য, প্রায় দু’বছর আগে দেশ জুড়ে চালু হয়েছিল ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস) আইন। যাতে বলা হয়েছে, কোনও ঘটনার তদন্তে তল্লাশি বা বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ার ভিডিয়ো করে তা আদালতে দিতে হবে। সেই মতো বছরখানেক আগে থেকে ই-সাক্ষ্য অ্যাপ ব্যবহার করছে রাজ্য পুলিশ। যদিও সে সময়ে কলকাতা পুলিশে তা চালু হয়নি। সম্প্রতি লালবাজার ই-সাক্ষ্য অ্যাপ চালু করতে উদ্যোগী হয়। এর জন্য প্রতিটি ডিভিশনের এক জন করে সহকারী নগরপালকে নোডাল অফিসার করা হয়, যাঁরা তদন্তকারীদের নাম নথিভুক্তির বিষয়টি দেখবেন। প্রতিটি থানার এক জন করে অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ই-সাক্ষ্য অ্যাপের প্রশিক্ষণ দেওয়ার। এক তদন্তকারী জানান, প্রাথমিক ভাবে এএসআই-দের প্রশিক্ষণ থেকে বাদ রাখা হলেও এখন তাঁদের নাম নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছে।

এই অ্যাপ ব্যবহারের আগে তদন্তকারীকে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-র অনুমতি নিতে হবে। এর পরে কেস নম্বর-সহ বিস্তারিত তথ্য প্রথমে ই-সাক্ষ্য অ্যাপে আপলোড করতে হবে। যে সব ক্ষেত্রে এফআইআর করার আগে বাজেয়াপ্ত প্রক্রিয়া চালু করতে হয়, সে সব ক্ষেত্রে কেস নম্বরের বদলে দিতে হবে জেনারেল ডায়েরি নম্বর। অ্যাপের মাধ্যমে এক বারে ১০ মিনিটের বেশি ভিডিয়ো রেকর্ড করা যাবে না। গোটা রেকর্ডিং তদন্তকারীর মোবাইল থেকে বিচারকের কাছে চলে যাবে। এর ফলে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে পৃথক ভাবে তল্লাশি প্রক্রিয়ার ভিডিয়ো আদালতে জমা দিতে হবে না, আবার বিচারকও তাঁর প্রয়োজন অনুযায়ী ওই রেকর্ডিং দেখতে পাবেন।

এত দিন বাজেয়াপ্ত প্রক্রিয়া ফোনে রেকর্ড করে আদালতে পেনড্রাইভের মাধ্যমে পেশ করতেন তদন্তকারীরা। এতে বিষয়টিতে অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠত। ই-সাক্ষ্য অ্যাপে ঘটনাস্থল থেকে সরাসরি ভিডিয়ো করে তা আদালতে জমা দেবেন তদন্তকারী। ফলে, গোটা বিষয়টি কেউ বিকৃত করতে পারবে না বলে মনে করা হচ্ছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

West Bengal Police Kolkata Police Lalbazar West Bengal government police investigation

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy