Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৯ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

Mamata Banerjee: জিএসটি বৈঠকে কণ্ঠরোধ করা হল কেন অমিত মিত্রের, সরব ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৫ জুন ২০২১ ০৫:৪৪
ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

জিএসটি পরিষদের বৈঠকে তাঁকে বলতে না-দেওয়ার অভিযোগে আগেই সরব হয়েছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। কেন্দ্র বিষয়টিকে প্রযুক্তিগত ত্রুটি বলে দাবি করলেও একে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক এবং গণতান্ত্রিক রীতির প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে দেখছে বিরোধী শিবির। এ বার বিরোধী-কণ্ঠ রোধের অভিযোগ তুলে এ বিষয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘কোভিড-পণ্যের উপরে জিএসটি নিতে হচ্ছে! অমিত মিত্র বলতে গিয়েছিলেন বলে তাঁর মাইক বন্ধ করে দিয়েছেন আপনারা! লজ্জা করে না? গণতন্ত্রে লোককে কথা বলতে দেন না! কী করে বেড়াচ্ছেন!’’ একই সঙ্গে মোদী সরকার তথা বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ, ‘‘(দেশের) অর্থনীতি, শিল্প, কর্ম সংস্থান শেষ হয়ে গিয়েছে। উত্তরপ্রদেশে সাংবাদিককে খুন করা হয়েছে। নিন্দা করি। বাংলা ভাল আছে বলে এত হিংসা কেন?”

কোভিড মোকাবিলার ওষুধ, সরঞ্জাম ও প্রতিষেধকে জিএসটি প্রত্যাহারের দাবিতে অনেক আগে থেকেই সরব পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিরোধীশাসিত রাজ্যগুলি। কিন্তু অভিযোগ, শনিবার পরিষদের বৈঠকে তাতে কান দেওয়া তো দূর, উল্টে এ বিষয়ে বলতেই দেওয়া হয়নি অমিতকে। অর্থমন্ত্রী সে দিনই জানিয়েছিলেন, ভিডিয়ো-বৈঠকে বার বার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা সত্ত্বেও তাঁকে বলতে দেওয়া হয়নি। মাইক বন্ধ থাকায় রাজ্যের অবস্থান তুলে ধরতে পারেননি তিনি। এ বিষয়েই এ দিন নিন্দায় মুখর হয়েছেন মমতা।

Advertisement

আজ ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকে এ প্রসঙ্গে ফের কেন্দ্রকে একহাত নিয়েছেন অর্থমন্ত্রীও। বলেছেন, ‘‘পরিষদকে কার্যত এড়িয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এই পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রীয় চরিত্র আছে। কিন্তু তা পাল্টে স্বৈরতন্ত্রী মনোভাব আমদানি করা হচ্ছে।”


কোভিড-পণ্যের উপরে জিএসটি নিতে হচ্ছে! অমিত মিত্র বলতে গিয়েছিলেন বলে তাঁর মাইক বন্ধ করে দিয়েছেন আপনারা! লজ্জা করে না?

- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


কোভিড-পণ্যে জিএসটি ছাঁটাইয়ের দাবিতে অনড় থেকে অমিতের দাবি, বছরে যেখানে ৭% রাজস্ব বৃদ্ধির অনুমান করা হয়েছিল, সেখানে করোনা-কালে রাজস্ব সরাসরি কমেছে ৩%। কিন্তু তবু কোভিড-পণ্যকে জিএসটি-মুক্ত করলে, রাজস্বের যে আরও কিছুটা ঘাটতি হবে, সাধারণ মানুষকে বাঁচানোর স্বার্থে তা মেনে নেওয়া যায়। তাঁর কথায়, ‘‘হয় কোভিড-পণ্যে জিএসটি প্রত্যাহার করা হোক, না-হলে তার হার হোক (বড়জোর) ০.১%।’’ বিরোধীরা তো বটেই, হরিয়ানা-গুজরাতের মতো রাজ্য, এমনকি বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ, বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা এক সময়ে জিএসটি কার্যকর করায় বড় ভূমিকা পালন করা সুশীল মোদীও এই তত্ত্বের সমর্থক বলে তাঁর দাবি। যদিও এখনও পর্যন্ত এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ইঙ্গিত দেয়নি কেন্দ্র।

জিএসটি আইনের প্রসঙ্গ তুলে এ দিন প্রতিটি রাজ্যের জন্য বাড়তি ক্ষতিপূরণের দাবি করেছেন অমিত। ২০২০-২১ আর্থিক বছরে সব রাজ্যের জন্য এই খাতে মোট ৬৩ হাজার কোটি টাকার দাবি তুলেছেন তিনি। তার মধ্যে রাজ্যের ভাগ ৪৯১১ কোটির।

আরও পড়ুন

Advertisement