Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৫ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

ভুল পথে পা নয়, হুঁশিয়ারি আশা কর্মীদের

বুধবার বীরভূমের আমোদপুরের সভা থেকে তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘‘আপনাদের যারা ভুল বোঝাচ্ছে, যদি প্রকল্প বন্ধ হয় তাদের কিছু যায়-আসে না। আপনাদের ক্ষতি হয়ে

দয়াল সেনগুপ্ত ও পারিজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
আমোদপুর ও কলকাতা ০৪ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:১১
Save
Something isn't right! Please refresh.
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

Popup Close

নানা দাবিদাওয়া নিয়ে সম্প্রতি স্বাস্থ্যভবন অভিযান করেছিলেন রাজ্যের আশা-কর্মীদের একাংশ। সেই কর্মসূচি এবং তার উদ্যোক্তাদের ব্যাপারে আশা-কর্মীদের সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বীরভূমের আমোদপুরের সভা থেকে তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘‘আপনাদের যারা ভুল বোঝাচ্ছে, যদি প্রকল্প বন্ধ হয় তাদের কিছু যায়-আসে না। আপনাদের ক্ষতি হয়ে যাবে।’’

বেশি কাজ, কম বেতন-সহ বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ নিয়ে ১৮ ডিসেম্বর বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন এআইইউটিইউসি প্রভাবিত আশা-কর্মীদের সংগঠন স্মারকলিপি দিতে স্বাস্থ্যভবনে গিয়েছিল। সংগঠনের তরফে অভিযোগ, তাঁরা কাজে ন্যায্য অধিকার ও পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না। বছরে এক দিনও ছুটি নেই তাঁদের। যে পরিমাণ কাজ আশা-কর্মীদের দিয়ে করানো হচ্ছে, তার তুলনায় পারিশ্রমিক অনেক কম।

কলকাতায় সমাবেশে ২৫-৩০ হাজার আশা-কর্মী একজোট হন। তাঁদের দাবি, আশা-কর্মীদের স্বাস্থ্যকর্মীর সমান মর্যাদা ও মাসে এককালীন বেতন দিতে হবে। সংগঠনের অভিযোগ, সমাবেশে আসার জন্য বিভিন্ন জেলায় আশা-কর্মীদের প্রশাসনিক স্তর থেকে হেনস্থা করা হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর ও উত্তর ২৪ পরগনায় অনেককে শো-কজ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। অন্য জেলাতেও যাঁরা ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। সরকারি স্তরেই শুধু নয়, তৃণমূল নেতাদের থেকেও রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। আশা-কর্মীদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আপনাদের চাকরিটা প্রকল্প। সরকারি চাকরি নয়। কেন্দ্র সব টাকা বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরাই প্রথমে মাসে দেড় হাজার ও পরে দু’হাজার টাকা করেছি। পরিষেবা দিয়ে একটা টাকা আপনারা পান।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘আপনাদের স্বাস্থ্যবিমায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাইকেল দিয়েছি, মোবাইল দিয়েছি। ভুল পথে কেউ পা দেবেন না।’’

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গ আশা-কর্মী ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদিকা ইসমত আরা খাতুন বলেন, ‘‘আশাকর্মীরা এত রকমের সমস্যায় জেরবার, যে তাঁদের বিক্ষোভ-সমাবেশের জন্য কারও উস্কানির প্রয়োজন হয়নি। নিজেদের আকুতিতেই তাঁরা একজোট হয়েছেন।’’



Tags:
Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement