Advertisement
E-Paper

রাতে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ স্লোগান

এই ঘটনায় পাল্টা ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের দাবি, ওই এলাকায় একটি পুরনো ব্যারাক ছিল, যার সংস্কারের কাজ করছে কেমডিএ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ০১:০৫
তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ফাইল চিত্র।

রবিবার গভীর রাতে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। রবিবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল পার্টি অফিস চত্বরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ আচমকাই সেখানে জড়ো হয়ে বিধায়কের বিরুদ্ধে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন আগে ঘর তৈরির প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এলাকার পুরনো একটি বসতি ভেঙে নতুন পাকা বাড়ি তৈরির আশ্বাস দিয়েছিলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং স্থানীয় কাউন্সিলর অয়ন চক্রবর্তী। তাঁদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, পুরনো জমি ছেড়ে দিলে একই জায়গায় পাকা ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। কিন্তু সম্প্রতি যে সব ঘর দেওয়া হয়েছে, তা টিনের চালযুক্ত ছোট বলে অভিযোগ। বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, “এগুলো পায়রার খোপের মতো। এখানে পরিবার নিয়ে থাকা সম্ভব নয়।”

রাত বাড়তেই ক্ষোভ আরও তীব্র আকার নেয়। বিক্ষোভকারীরা পার্টি অফিসের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। যদিও অপ্রীতিকর কিছু ঘটেনি।

এই ঘটনায় পাল্টা ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের দাবি, ওই এলাকায় একটি পুরনো ব্যারাক ছিল, যার সংস্কারের কাজ করছে কেমডিএ। সেখানে বসবাসকারী পরিবারগুলির একাংশ ইতিমধ্যেই ঘর পেয়েছে, বাকিদের জন্য কাজ এখনও চলছে। যাঁরা এখনও ঘর পাননি, তাঁরাই ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। কুণাল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল মুখপাত্র মৃত্যুঞ্জয় পাল বলেন, “বিজেপি এখন এই বিষয়টি নিয়ে মানুষকে উস্কানি দিচ্ছে। আগামী জুন মাসের মধ্যেই বাকি পরিবারগুলিও ঘর পেয়ে যাবে।” উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতা কুশল পাণ্ডে বলেন, "তৃণমূলের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। আসলে তৃণমূল জমানায় করা ভুল কাজের মাশুল দিতে গিয়ে নিজেদের অপরাধের দায় বিজেপির উপর চাপিয়ে দিচ্ছে বিজেপি।"

অন্য দিকে, সংবাদমাধ্যমে কুণালের দাবি, বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কয়েকজন ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানও দিয়েছেন। তাঁর কথায়, “যখন ঘরের বদলে ঘর দেওয়ার প্রকল্প শুরু হয়েছিল, তখন কেএমডিএ তৃণমূল পরিচালিত সরকারের অধীনে ছিল। এখন পরিস্থিতি আলাদা। তবুও বিধায়ক হিসেবে আমি সবরকম সহযোগিতা করব।” তাঁর আরও দাবি, পার্টি অফিসে গোলমালের খবর শুনে তিনি রাতেই গড়পাড়ের বাড়ি থেকে পার্টি অফিসে গিয়েছিলেন। পরিস্থিতি খানিক সামাল দিয়ে বাড়িতে ফিরে যান বেলেঘাটার বিধায়ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে।

TMC MLA Kunal Ghosh
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy