×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১১ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

সস্ত্রীক বিজেপি নেতাকে মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

নিজস্ব সংবাদদাতা
মেজিয়া ২৮ মার্চ ২০১৪ ০০:০০

বিজেপি-র ব্লক সভাপতিকে মারধর ও তাঁর স্ত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল কিছু তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। মেজিয়ার অর্ধগ্রামে বুধবার সন্ধ্যার ঘটনা। বৃহস্পতিবার মেজিয়ার ব্লক সভাপতি চিত্তরঞ্জন রায়ের স্ত্রী লক্ষ্মী রায় জেলা পুলিশ সুপারের কাছে এলাকার ছ’জন তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মনোজ রায়, মিতন বাউরি, খোকন দে, সুধাময় গোপ, বাবলু রায় ও কুচি রায় সকলেই অর্ধগ্রামের বাসিন্দা। এসপি মুকেশ কুমার বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার বিকেলে অর্ধগ্রামের শ্যামপুর মোড়ে চিত্তরঞ্জনবাবুর সঙ্গে কিছু লোকের হাতাহাতি হয়। লক্ষ্মীদেবীর অভিযোগ, “তৃণমূল কর্মীরা আমার স্বামীকে মারধর করছিল। আমি সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ করায় ওরা আমার উপরেও চড়াও হয়। আমাকে যথেচ্ছ লাথি মারে ও শ্লীলতাহানি করে। পুলিশ এসে আমাদের বাঁচায়।” রাতেই সেখানে যান বিজেপি-র বাঁকুড়া কেন্দ্রের প্রার্থী সুভাষ সরকার। চিত্তরঞ্জনবাবুকে প্রথমে ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে রাতেই তাঁকে বাঁকুড়া মেডিক্যালে স্থানান্তর করা হয়।” সেই রাতেই সুভাষবাবু বাঁকুড়া পুলিশ সুপারের কাছে মৌখিক ভাবে ঘটনাটি নিয়ে অভিযোগ করেন। বিজেপি-র কর্মীরা অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবি করে এসপিকে স্মারকলিপি দেন।

সুভাষবাবুর দাবি, “ভোট যুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল। তবে ভয় দেখিয়ে আমাদের দমানো যাবে না।” যাঁদের নামে অভিযোগ হয়েছে, তাঁরা সবাই তৃণমূলের কর্মী বলে মেনে নিয়েছেন মেজিয়া ব্লক তৃণমূল সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায়। তবে তাঁর দাবি, “চিত্তরঞ্জন কিছু লোকের কাছ থেকে টাকা ধার করেছিলেন। সেই টাকা সময়মতো ফেরত না দেওয়ায় তাঁদের সঙ্গে বচসা হয়েছে বলে শুনেছি। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। প্রচার পেতে বিজেপি রাজনৈতিক রং চড়াচ্ছে।” অন্য দিকে, শালতোড়ায় বিজেপি-র প্রার্থীর সমর্থনে লেখা চারটি দেওয়াল লিখন মুছে দিয়ে তৃণমূল প্রার্থীর নাম লেখার অভিযোগ উঠল বৃহস্পতিবার। বিজেপি-র শালতোড়া ব্লক সদস্য আস্তিক চক্রবর্তীর বলেন, “তৃণমূলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছি আমরা।”

Advertisement
Advertisement