Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৬ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, পরীক্ষা বয়কট চাকরি প্রার্থীদের

প্রশ্ন ফাঁস করে পচ্ছন্দের প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষায় প্রথম করা হয়েছিল। ‘বিশেষ বোঝাপড়ার’ ভিত্তিতে সেই প্রার্থীকেই মৌখিক পরীক্ষায় প্রথম করে নিয়

নিজস্ব সংবাদদাতা
ময়ূরেশ্বর ২৪ জানুয়ারি ২০১৫ ০১:১৭
Save
Something isn't right! Please refresh.
Popup Close

প্রশ্ন ফাঁস করে পচ্ছন্দের প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষায় প্রথম করা হয়েছিল। ‘বিশেষ বোঝাপড়ার’ ভিত্তিতে সেই প্রার্থীকেই মৌখিক পরীক্ষায় প্রথম করে নিয়োগের চেষ্টা করেন কর্তৃপক্ষ এই সব অভিযোগ তুলে মৌখিক পরীক্ষা বয়কট করলেন বাকি প্রার্থীরা। পাশাপাশি ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে প্রশাসনের কাছে স্বছতারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। ঘটনাটি ময়ূরেশ্বরের বহড়া-রসিদপুর সমবায় সমিতির।

প্রশাসন এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দু’য়েক আগে ওই সমবায় সমিতিতে ম্যানেজার পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। প্রায় ৭০ জন প্রার্থী আবেদন করেন। তাঁদের লিখিত পরীক্ষাও নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে যুগ্মভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেন তাপস চৌধুরী এবং অজয় মণ্ডল। কিন্তু তারপর থেমে যায় ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া। কারণ, নানা অভিযোগে সরকারি নির্দ্দেশে পরিচালন সমিতি ভেঙে দিয়ে ওই সমবায়ে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। মাস চারেক আগে ফের নতুন পরিচালন সমিতি গঠিত হয়। সেই কমিটিই ৬ জানুয়ারি আগে লিখিত পরীক্ষা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১১ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য চিঠি পাঠায়। বৃহস্পতিবার ছিল ওই পরীক্ষার দিন। সেই মতো ৭ জন প্রার্থী হাজির হলেও তাপসবাবু ছাড়া বাকিরা পরীক্ষা বয়কট করেন। তাঁরা সমবায় সমিতি সমূহের ব্লক পরির্দশকের কাছে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে নতুন ভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। ওই সব আবেদনকারীদের অন্যতম অজয় মণ্ডল, আব্বাসউদ্দিন মল্লিক, রামকৃষ্ণ চৌধুরীর অভিযোগ, “লিখিত পরীক্ষার সময়ই প্রশ্নপত্র ফাঁস করে তাপসবাবুকে ‘বিশেষ বোঝাপড়া’র ভিত্তিতে যুগ্মভাবে প্রথম করা হয়। সেই সময়ই আমরা ওই পরীক্ষা বাতিল করার দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু তা না করে পরিচালন কমিটি তাপসবাবুকেই নিয়োগের জন্য পুরনো লিখিত পরীক্ষা বহাল রেখে মৌখিক পরীক্ষা আহ্বান করে। তাই আমরা ওই পরীক্ষা বয়কট করেছি।” তাপসবাবু অবশ্য ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, “আমি যোগ্যতার নিরিখেই প্রথম হয়েছি। তাই আমার নিয়োগ আটকাতে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।”

লিখিত পরীক্ষার সময় পরিচালন সমিতির সম্পাদক ছিলেন বিসারুদ্দিন খাঁন। তিনিই বর্তমান সম্পাদকও নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বলেন, “বিশেষ বোঝাপড়া কিংবা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাসত্ত্বে ৭ জন প্রার্থী সমবায় পরির্দশকের কাছে ওই অভিযোগ করেছেন বলে শুনেছি। এখন সমবায় পরির্দশক যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবেন।” অন্য দিকে, ব্লক সমবায় সমিতি সমূহের পরির্দশক অনির্বাণ বিশ্বাস বলেন, “ওই অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করা হবে। তারপর নির্দেশ মাফিক উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Advertisement


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement