এক ফেরিওয়ালার দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল পুরুলিয়ার বান্দোয়ানে। মঙ্গলবার স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আকবর মণ্ডল নামে ওই ফেরিওয়ালের দেহ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আকবরকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। তবে খুনের নেপথ্যে কী কারণ এখন স্পষ্ট নয়। বচসার জেরে খুন নাকি অন্য কোনও কারণ তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় বিশ্বনাথ মাহাতো নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, তাঁর বাড়ি থেকেই আকবরের দেহ উদ্ধার হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বান্দোয়ান থানার সাগা সুপুরী গ্রামে। মঙ্গলবার ওই গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বনাথের বাড়ি থেকে পাওয়া যায় আকবরের দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, আকবর নিজের ব্যবসার সূত্রেই বান্দোয়ানে থাকতেন। তাঁর বাড়ি বাঁকুড়ার পুনিশোল গ্রামে। বাড়ি বাড়ি ঘুরে বাসন বিক্রি করতেন আকবর। আর সেই সূত্রেই তাঁর বান্দোয়ানে অস্থায়ী বাস।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্য দিনের মতো মঙ্গলবার সকালেও ফেরি করতে বেরিয়েছিলেন আকবর। ফেরি করার সময় কোনও কারণে বিশ্বনাথের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। আর সেই বচসার কারণেই লাঠি দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয় আকবরকে। যদিও এটা পুলিশের প্রাথমিক ধারণা। দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন আকবরকে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
নিহতের ছেলের অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে বিশ্বনাথকে। বুধবার তাঁকে পুরুলিয়া আদালতে হাজির করানো হবে। খুনের নেপথ্য কারণ নিয়ে ধন্দ থাকলেও জেলার এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘জিনিসপত্র কেনাবেচা নিয়ে বচসার জেরে ওই বিক্রেতাকে মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।’’