Advertisement
০৯ ডিসেম্বর ২০২২

নানুরে যুবকের দেহ উদ্ধার, নজরে আত্মীয়

এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হল নানুরে। বৃহস্পতিবার সকালে চারকলগ্রাম উত্তরপাড়ার বাড়ির কাছেই ধান জমিতে ষষ্ঠীকুশ মেটে (৩২) নামে ওই যুবকের দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। শরীরে পাথর জাতীয় ভারী কোনও জিনিস দিয়ে দিনমজুর এই যুবককে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের অনুমান।

নিজস্ব সংবাদদাতা
নানুর শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০১৬ ০০:৪০
Share: Save:

এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হল নানুরে। বৃহস্পতিবার সকালে চারকলগ্রাম উত্তরপাড়ার বাড়ির কাছেই ধান জমিতে ষষ্ঠীকুশ মেটে (৩২) নামে ওই যুবকের দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। শরীরে পাথর জাতীয় ভারী কোনও জিনিস দিয়ে দিনমজুর এই যুবককে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের অনুমান।

Advertisement

ওই খুনকে ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। পুজোর পরে পরে গাঁ-ঘরে এমন একটি ঘটনায় নানা জল্পনা নানুরের গ্রামে। পুলিশের সন্দেহের তির নিহতের এক আত্মীয়ের দিকে। পুলিশ কেন ওই সন্দেহ করছে, সে নিয়েও নানা কথা শোনা যায় গ্রামে।

এ দিন পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ স্ত্রী, মেয়েকে নিয়ে গ্রামে প্রতিমা বিসর্জন দেখতে গিয়েছিলেন ষষ্ঠী। সঙ্গে ছিলেন বর্ধমানের ভেদিয়া থেকে আসা ওই আত্মীয়। সাড়ে আটটা স্ত্রী, মেয়েকে মণ্ডপে রেখে ওই আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান ষষ্ঠী।

স্ত্রী নাগেশ্বরীর কথায়, ‘‘যাওয়ার আগে বলেছিল তাড়াতাড়ি ফিরব। তারপর রাত ১০ নাগাদ আত্মীয় বাড়ি ফিরে এলেও উনি আসেননি।’’

Advertisement

তদন্তকারী পুলিশ কর্তাদের দাবি, ঘটনাক্রম থেকে বোঝা যাচ্ছে ষষ্ঠী ওই আত্মীয়ের সঙ্গেই ছিল। তা হলে সেই আত্মীয়েরই গোটা ঘটনা খোলসা করা উচিত। কিন্তু, তিনি তা করেননি। উল্টে দেহ উদ্ধারের আগেই কাকভোরে কাজ আছে বলে বেরিয়ে যান তিনি। পুলিশের প্রশ্ন সেখানেই। জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘‘ওই আত্মীয়ের আচরণ মোটেও স্বাভাবিক ঠেকছে না। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই জট খুলতে পারে।’’ ওই আত্মীয়ের সন্ধানে বর্ধমান পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে নানুর পুলিশ। এ দিনই পরিবারের তরফে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তবে রাত পর্যন্ত কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করেনি পুলিশ। এ দিকে ঘটনার পরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

এ দিকে, বৃহস্পতিবার সকালে গ্রাম লাগোয়া ধানের জমিতে ষষ্ঠীর দেহ দেখতে পান গ্রামবাসীই। দ্রুত খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মীরা জানিয়েছেন, ষষ্ঠীর মুখে এবং গোপনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন ছিল। দেহ উদ্ধারের পরেই ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী। এ দিন তিনি বলেন, ‘‘আমাদের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল না। তবে স্বামী নেশা করে মাঝে মধ্যেই রাতে বাড়ি ফিরতেন না। সেই জন্যেই রাতে কাউকে কিছু জানায়নি।
কিন্তু এমনটা যে হতে পারে দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি।’’

খাট থেকে পড়ে মৃত্যু। খাট থেকে পড়ে মৃত্যু হল এক বৃদ্ধের। মৃতের নাম নাজফুল শেখ (৭০)। বাড়ি মুরারই থানার কাশিমনগর গ্রামে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নাজফুল দীর্ঘ দিন শয্যাশায়ী ছিলেন। বুধবার সকালে আচমকা খাট থেকে পড়ে যান।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.