×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৪ মে ২০২১ ই-পেপার

আহা প্রাণ জুড়োল, কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় স্বস্তির বর্ষণ

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২০ জুন ২০১৮ ১২:৩৪
স্বস্তির বৃষ্টি নামল শহরে।

স্বস্তির বৃষ্টি নামল শহরে।

নাছোড়বান্দা গরমের পরে এ বার আকাশ ছেয়ে গেল কালো মেঘে। নামল মুষলধারে বৃষ্টি।

গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যে তাপপ্রবাহ চলছিল। তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি, ৪১ ডিগ্রির কাছাকাছি।সেই গুমোট গরম কাটিয়ে স্বস্তির বৃষ্টি হল মহানগর কলকাতা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ কয়েকটি জেলায়।

বুধবার সকাল ১০টা থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এ দিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ আচমকাই অন্ধকার হয়ে যায় কলকাতার আকাশ। সঙ্গে বইতে থাকে ঝোড়ো হাওয়া। পাশাপাশি, মুষলধারে বৃষ্টিও শুরু হয়।

Advertisement



দাবদাহ থেকে মুক্তি।

বিহার এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। সেই কারণেই জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে রাজ্যে। রাজ্যের উপরে এখন বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছে। তাই স্বস্তির বৃষ্টিতে তাপমাত্রার পারদ কমেছে, জানিয়েছে আলিপুরের অফিস।

আগামী চার দিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা এবং মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে কলকাতার বেশ কয়েকটি অংশে। কয়েকটি জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে। উপগ্রহ চিত্রে তেমনই আভাস পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গেই তাপমাত্রাও আরও খানিকটা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।কলকাতা ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার দাপট চলবে। হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় দফায় দফায় বৃষ্টি হতে পারে।



এক পশলায় শান্তি।

বুধবার সকাল থেকে কলকাতার আকাশ ঝকঝকে পরিষ্কার থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা মেঘলা হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, এ দিন সারা দিনই দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে।

আরও খবর: এবার গরমে কেন এত কষ্ট, কারণ জানেন?

ক্লাস বন্ধ, স্কুল খোলা রাখায় ক্ষুব্ধ শিক্ষকেরা​

পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতেও ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে বুধবার। মৌসম ভবন জানিয়েছে,বৃষ্টি হয়েছে পার্শ্ববর্তী রাজ্য ওডিশার ভুবনেশ্বর ও কটকের বেশ কয়েকটি এলাকায়। সিকিমের বেশ কয়েকটি জায়গায় আগামী দু’দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ছবি: রণজিৎ নন্দী

Advertisement