শিশুকে প্রকাশ্যে স্তন্যপান করানো নিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লির আম আদমি পার্টির সরকার এবং প্রশাসনের অবস্থান জানতে চাইল দিল্লি হাইকোর্ট। বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন দেশে প্রকাশ্য স্থানে শিশুকে স্তন্যপান করাতে গিয়ে মহিলারা যাতে অসুবিধেয় না পড়েন, তার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। অসমের বিধায়ক আঙুরলতা ডেকা এ ব্যাপারে বিধানসভার ভবনের কাছে আলাদা ঘর চেয়েছিলেন স্পিকারের কাছে। আবেদনে সাড়াও দেন স্পিকার। দিল্লি হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি গীতা মিত্তল এবং বিচারপতি সি হরিশঙ্করের বেঞ্চ বলেছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে প্রশাসনিক সংস্থাগুলিকে। এ ব্যাপারে পুরসংস্থা এবং ‘দিল্লি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’কেও নোটিস পাঠিয়েছে আদালত। দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, ভারতের কোনও বিমানবন্দরেও স্তন্যপান করানোর ব্যবস্থা নেই। চার সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ করছে, তা-ও জানাতে বলেছে আদালত। পরবর্তী শুনানি ২৮ অগস্ট। প্রকাশ্যে স্তন্যপান করানো নিয়ে এক মায়ের তরফে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল দিল্লি হাইকোর্টে। ‘অবাঞ্ছিত দৃষ্টি’ এড়িয়ে প্রকাশ্যে মায়েদের যাতে অসুবিধেনা হয়, সেই আবেদন জানান ওই মহিলা। আইনজীবী অনিমেষ রাস্তোগি ওই মহিলার হয়ে আদালতে বলেছেন, কোনও মাকে এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার অর্থ তাঁর ব্যক্তিপরিসরের অধিকার ভঙ্গ করা।