সমস্যা বাড়ছে ইমরান খানের। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক পরীক্ষায় বেরিয়েছে, তিনি কোকেন নেন। এমনই দাবি করলেন পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আব্দুল কাদির পটেল। তাঁর আরও দাবি, ইমরানের শরীরে অ্যালকোহলের (মদ) চিহ্নও মিলেছে।
দুর্নীতি মামলায় ইমরানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেই রিপোর্টেই তাঁর শরীরে কোকেন এবং অ্যালকোহলের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। শুক্রবার আব্দুল কাদির এ কথা জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ইমরানের বিরুদ্ধে রুজু রয়েছে শতাধিক মামলা। এ বার নিষিদ্ধ মাদকের উপস্থিতির প্রমাণ মিললে আরও বড় সমস্যায় পড়বেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
আব্দুল কাদির জানান, ইসলামাবাদের ‘পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস’-এর ৫ জন চিকিৎসকের প্যানেল ইমরানের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছিল। সেখানে ইমরানের মূত্রের নমুনা নেওয়া হয়। তাতেই পাওয়া গিয়েছে শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি। সেই বিষাক্ত রাসায়নিকই কোকেন এবং অ্যালকোহল। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইমরানের মেডিক্যাল পরীক্ষার সমস্ত রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা হবে। তাঁর দাবি, এই কারণেই ইমরান মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন।
গত ৯ মে ইসলামাবাদ হাই কোর্ট চত্বর থেকেই গ্রেফতার করা হয় ইমরানকে। তাঁর গ্রেফতারিকে ঘিরে পাকিস্তান জুড়ে অশান্তি তৈরি হয়। পথে নেমে নেতার গ্রেফতারির বিরোধিতা করতে শুরু করেন পিটিআই সমর্থকেরা। পরে অবশ্য জামিন পান ইমরান। তাঁকে কোনও মামলাতে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না বলে রক্ষাকবচও দিয়েছে আদালত। এই আবহেই পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই দাবি ঘিরে জল্পনা বাড়ছে।
তবে এ বারই প্রথম নয়, ইমরানের মাদকাসক্তির কথা আগেও প্রকাশ্যে বেরিয়ে এসেছিল। তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী রেহাম খান অভিযোগ করেছিলেন যে, তিনি প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে কোকেন নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেছিলেন। ইমরানের নেশা নিয়েও একাধিক বার মুখ খুলেছিলেন রেহাম। যদিও ইমরান কোনও দিনই এই অভিযোগকে গুরুত্ব দেননি।