ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিল ইজ়রায়েল। সোমবার বেলায় (ভারতের সময় অনুসারে) ইজ়রায়েলে পৌঁছোন ট্রাম্প। ঘটনাচক্রে, সোমবারই তাদের হেফাজতে থাকা সব (মোট ২০ জন) ইজ়রায়েলি পণবন্দিকে মুক্তি দেয় প্যালেস্টাইনি সশস্ত্র সংগঠন হামাস। অন্য দিকে, বন্দি বিনিময়ের শর্ত হিসাবে ইজ়রায়েলও তাদের জেলগুলিতে বন্দি থাকা প্রায় ২০০০ প্যালেস্টাইনিকে মুক্তি দিচ্ছে। সোমবার ইজ়রায়েলের আইনসভা ‘নেসেট’-এ যান ট্রাম্প। গাজ়ায় শান্তিপ্রতিষ্ঠার জন্য ট্রাম্পের উদ্যোগের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন নেতানিয়াহু এবং আইনসভার স্পিকার আমির ওহানা। বিশ্বে ট্রাম্পের মতো আরও বলিষ্ঠ নেতার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান ওহানা। ট্রাম্প আইনসভায় উপস্থিত হতেই সব সদস্য উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।
বক্তৃতা করতে উঠে গাজ়ায় শান্তিপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে স্বাগত জানান ট্রাম্পও। বিষয়টিকে ‘ঐতিহাসিক ভোর’ বলে ব্যাখ্যা করেন তিনি। বলেন, “এখন আকাশ শান্ত। বন্দুকের আওয়াজ থেমে গিয়েছে। পবিত্র ভূমিতে শান্তি এসেছে।” নিজের বক্তৃতায় ট্রাম্পের প্রশংসা করে নেতানিয়াহু জানান, আগামী বছর যাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে পারেন, সে কারণে গোটা বিশ্বে দৌত্য চালাবে ইজ়রায়েল। একই সঙ্গে ইজ়রায়েলের সর্বোচ্চ পুরস্কারের জন্য ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করেন। শান্তিপ্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে সোনার পায়রা তুলে দেন নেতানিয়াহু।
ইজ়রায়েলের আইনসভায় হামাসের হাতে বন্দি ইজ়রায়েলিদের আত্মীয় এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও দেখা করেন নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্প। ইজ়রায়েল সফর শেষ করেই মিশরে গাজ়া সংক্রান্ত শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে যাওয়ার কথা মার্কিন প্রেসিডেন্টের। তবে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স-এর প্রতিবেদন অনুসারে, এই সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না নেতানিয়াহু। তাদের প্রতিবেদন অনুসারে, ইহুদিদের উৎসব শুরু হয়ে যাওয়ার কারণে ওই সম্মেলন এড়াচ্ছেন নেতানিয়াহু।