Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

তুরস্ক, গ্রিসের দ্বীপে ভূমিকম্পে মৃত ১

ভূমিকম্পের জেরে ভেঙে পড়েছে অজস্র ঘরবাড়ি। এখনও পর্যন্ত এক মহিলার মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। জখম অন্তত দশ জন। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, লেসবস

সংবাদ সংস্থা
অ্যাথেন্স ১৪ জুন ২০১৭ ০২:৫৩
Save
Something isn't right! Please refresh.
ধ্বংসস্তূপ: বাড়ি-গাড়ি সব শেষ ভূমিকম্পের গ্রাসে। মঙ্গলবার লেসবসের ভ্রিসা গ্রামে। ছবি: এপি।

ধ্বংসস্তূপ: বাড়ি-গাড়ি সব শেষ ভূমিকম্পের গ্রাসে। মঙ্গলবার লেসবসের ভ্রিসা গ্রামে। ছবি: এপি।

Popup Close

তীব্র ভূমিকম্পে সোমবার কেঁপে উঠল গ্রিস ও তুরস্ক উপকূল সংলগ্ন লেসবস দ্বীপ এলাকা। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.২। ভূমিকম্পের জেরে ভেঙে পড়েছে অজস্র ঘরবাড়ি। এখনও পর্যন্ত এক মহিলার মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। জখম অন্তত দশ জন।

আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, লেসবসের দক্ষিণ দিকের ভ্রিসা গ্রাম সংলগ্ন সমুদ্রের কাছেই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল। তুরস্কের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে, অন্তত সাত কিলোমিটার গভীরে ছিল কেন্দ্রস্থলটি। প্রথম কম্পনটি বোঝা যায় স্থানীয় সময় সোমবার ৩টে ২৮ নাগাদ। এবং তার পরে অন্তত ২৫টি ভূকম্প পরবর্তী কম্পন হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইস্তানবুল ও দক্ষিণ তুরস্কের ইজমির প্রদেশেও কমবেশি কম্পন অনুভূত হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রের খবর, দক্ষিণ লেসবসের অন্তত ১২টি গ্রাম ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি হওয়ায় সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভ্রিসা গ্রামটিই। কম্পনের জেরে বাড়ি ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয় এই গ্রামেরই এক মহিলার। জখম হয়েছে গ্রামের আরও দশ জন। ভূমিকম্পের জেরে আপাতত বন্ধ হয়ে গিয়েছে বেশ কিছু রাস্তাঘাট।

Advertisement

এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছেই তুরস্কের কারাবুরুন এলাকা। সেখানকার বাড়িতে বসে কম্পন বুঝতে পেরেছিলেন ৬১ বছরের অ্যাসে সেলভি। তাঁর বক্তব্য, ‘‘কী ভাবে পালিয়ে গিয়ে প্রাণ বাঁচিয়েছি, নিজেই জানি না!’’ লেসবসের মেয়র স্পিরোজ গ্যালিনোস জানান, জোর কদমে উদ্ধার কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশের গ্রামের একটি ফুটবল মাঠে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আপাতত সেখানেই বাসিন্দাদের জন্য অস্থায়ী শিবির তৈরি করেছে প্রশাসন। গ্রিসের উত্তর এজিয়ান প্রদেশের গভর্নর আক্রান্তদের সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। এগিয়ে এসেছে সেনাবাহিনীও। ঘরহীন বাসিন্দাদের জন্য অস্থায়ী তাঁবুরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে আশপাশের দ্বীপগুলোয় ক্ষতি হয়নি বলে প্রশাসন সূত্রের খবর।

আরও বেশ কয়েকটি ভূকম্প পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কা করছেন দু’টি দেশেরই আবহবিদরা। তার জেরে জারি করা হয়েছে বাড়তি সতর্কতাও। এমনিতেই গ্রিস ও তুরস্কে মাঝেমধ্যেই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। ১৯৯৯ সালে গ্রিস ও তুরস্কে দু’টি বিরাট মাপের ভূমিকম্পে অন্তত ১৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তাই এ বার আগেভাগেই সতর্ক প্রশাসন।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Tags:
Earthquake Turkey Greeceভূমিকম্পতুরস্কগ্রিস
Something isn't right! Please refresh.

Advertisement