Advertisement
E-Paper

পাকিস্তানে ট্রেনে জঙ্গিহামলা: ইদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন পাক সেনারা, ধাক্কা মারে বিস্ফোরকবোঝাই গাড়ি

রেললাইনের ধারে থাকা বেশ কয়েকটি বহুতল, ২৫-৩০টি গাড়ি বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কারও মৃত্যু হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ১৪:৩০
বিস্ফোরণের পর জাফর এক্সপ্রেসের উল্টে যাওয়া বগি। ছবি: পিটিআই।

বিস্ফোরণের পর জাফর এক্সপ্রেসের উল্টে যাওয়া বগি। ছবি: পিটিআই।

ইদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন পাক সেনারা। সংবাদ সংস্থা এএফপি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বালোচিস্তান প্রদেশের কোয়েটা থেকে পেশোয়ারে যাচ্ছিলেন তাঁরা। ট্রেনের দু’টি বগিতে পরিবার-সহ উঠেছিলেন সেনারা। রবিবার সকালে ট্রেনটি যখন চমন ফটকের কাছে পৌঁছোয়, সেই সময় একটি গাড়ি এসে ট্রেনে ধাক্কা মারে। জোরালো বিস্ফোরণ হয়। দু’টি কামরা লাইনচ্যুত হয়। একেবারে দুমড়েমুচড়ে যায়। বেশ কয়েকটি বগিতে আগুন ধরে যায় বিস্ফোরণের জেরে।

পাক সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাড়িটি বিস্ফোরকবোঝাই ছিল। ট্রেনের গতি একটু কম থাকায় গাড়িটি সজোরে গিয়ে ট্রেনে ধাক্কা মারে। তার পরই জোরালো বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ওই এলাকা। রেললাইনের ধারে থাকা বেশ কয়েকটি বহুতল, ২৫-৩০টি গাড়ি বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কারও মৃত্যু হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে যে দু’টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে, তাতে সেনাকর্মীরা ছিলেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে।

ঘটনাচক্রে, যে জায়গায় আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হয়েছে রবিবার, সেখানে নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো থাকে। তার পরেও কী ভাবে নজর এড়িয়ে বিস্ফোরকবোঝাই গাড়ি ঢুকে পড়েছিল, তা ঘিরে সন্দেহ বাড়ছে। যে এলাকায় বিস্ফোরণ হয়েছে সেখানে রেললাইনের দু’ধারেই বসতি রয়েছে। ফলে বিস্ফোরণের জেরে ক্ষয়ক্ষতিও যথেষ্ট হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কোয়েটা পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ধরন দেখে এটা স্পষ্ট যে, এটি সুপরিকল্পিত ঘটনা। হামলাকারীরা চেয়েছিল এমন ভাবে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে যাতে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেশি হয়।

BLA
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy