Advertisement
E-Paper

চশমা বানাতে দোকানে পোপ

শুরু থেকেই তিনি আর পাঁচ জন পোপের থেকে আলাদা। গির্জার নিয়ম ভেঙেছেন আগেও। কখনও মহিলা বন্দির পা ধুয়ে দিয়েছেন, কখনও জড়িয়ে ধরেছেন ‘কদাকার-দর্শন’ রোগীকে। আবার সরব হয়েছেন সমকামীদের অধিকার নিয়েও। এ বার ফের নিয়ম ভাঙলেন পোপ ফ্রান্সিস। হঠাৎই বেরিয়ে পড়লেন ভ্যাটিকান থেকে। নেহাত্ই ব্যক্তিগত কাজে। চশমার পাওয়ার বেড়েছে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৩:০৮
এই ফ্রেমটা মানাচ্ছে তো? শুক্রবার রোমে। ছবি: রয়টার্স।

এই ফ্রেমটা মানাচ্ছে তো? শুক্রবার রোমে। ছবি: রয়টার্স।

শুরু থেকেই তিনি আর পাঁচ জন পোপের থেকে আলাদা। গির্জার নিয়ম ভেঙেছেন আগেও। কখনও মহিলা বন্দির পা ধুয়ে দিয়েছেন, কখনও জড়িয়ে ধরেছেন ‘কদাকার-দর্শন’ রোগীকে। আবার সরব হয়েছেন সমকামীদের অধিকার নিয়েও। এ বার ফের নিয়ম ভাঙলেন পোপ ফ্রান্সিস। হঠাৎই বেরিয়ে পড়লেন ভ্যাটিকান থেকে। নেহাত্ই ব্যক্তিগত কাজে। চশমার পাওয়ার বেড়েছে। সকলেই বলেছিলেন, পোপ কেন দোকানে যাবেন! দোকান-মালিককেই ভ্যাটিকানে ডেকে নিলেই হয়। সেই মতো খবরও দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু পোপ জানিয়ে দেন, তিনিই যাবেন। সেই মতো নিজেই কাল দোকানে গিয়ে পছন্দ করেন চশমার ফ্রেম। সঙ্গে ছিলেন এক জন দেহরক্ষী ও সাদা পোশাকের পুলিশ।

গত বছর ওই দোকানেই চশমা বানিয়েছিলেন পোপ। দোকান-মালিক আলেস্যান্দ্রো স্পেজিয়া আজ বলেন, ‘‘গত বার আমাদের বানানো চশমা খুব পছন্দ হয়েছিল ওঁর। তাই নতুন প্রেসক্রিপশনও এখানে নিয়ে আসেন। আমারই অবশ্য ভ্যাটিকানে যাওয়ার কথা ছিল। পোপ রাজি হননি।’’ স্পেজিয়ার ছোট্ট দোকানটিতে ঘণ্টাখানেক ছিলেন পোপ। ভিড় জমে যায় আশপাশে। দোকান থেকে বেরোতেই ঝাঁপিয়ে পড়েন লোকজন। কেউ জড়িয়ে ধরেন হাত। কেউ বা হাত বাড়িয়ে দেন পোপকে একটু ছুঁয়ে দেখতে। বুয়েনস আইরেসে আর্চবিশপ থাকাকালীন বাসে-ট্রামেই যাতায়াত করতেন তিনি। কোনও সমস্যা হতো
না। ‘‘এখন আর ইচ্ছেমতো বেরোতে পারি না’’, আক্ষেপ ‘পোপ’ ফ্রান্সিসের।

Francis Vatican rome
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy