Hero Glamour X

হিরো গ্ল্যামার এক্স: নতুন প্রজন্মের স্টাইলিশ ও আরামদায়ক বাইক

প্রতিদিনের পথ চলাকে করে তুলুন আরও আরামদায়ক, সঙ্গী হোক ‘গ্ল্যামার এক্স’

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো
শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০২৬ ১৬:৩৭
‘হিরো গ্ল্যামার এক্স’

‘হিরো গ্ল্যামার এক্স’

অফিস যাওয়ার তাড়া, শহরের যানজট থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন এমন এক সঙ্গীর যা শুধু তাড়াতাড়ি গন্তব্যে পৌঁছেই দেবে না, বরং বজায় রাখবে স্টাইল স্টেটমেন্টও। ‘হিরো’ তাদের জনপ্রিয় ‘গ্ল্যামার’ ব্র্যান্ডের নতুন প্রজন্ম হিসেবে নিয়ে এসেছে ‘গ্ল্যামার এক্স’, যা প্রথম দেখাতেই আপনার নজর কাড়তে বাধ্য। স্টাইল, ভরসা এবং নতুনত্বের যে পরিচিতি এই ব্র্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে তৈরি করেছে, তার ওপর ভিত্তি করেই এই নতুন বাইকটি তৈরি করা হয়েছে। যারা প্রযুক্তিনির্ভর এবং আরামদায়ক বাইক চালানোর অভিজ্ঞতা চান, তাদের জন্য এই ১২৫ সিসির বাইকটি একেবারে উপযুক্ত।

কেন কিনবেন আপনি ‘হিরো গ্ল্যামার এক্স’?

ডিলাক্স ১২৫ সিসি বিভাগে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এনে, ‘গ্ল্যামার এক্স’ নিয়ে এসেছে একাধিক নতুন এবং উন্নত বৈশিষ্ট্য।

উন্নত প্রযুক্তি: এই বাইকটিতে রয়েছে ক্রুজ কন্ট্রোল, যা অনেকক্ষণ সময় ধরে একই গতিতে চালাতে সাহায্য করে, ফলে ক্লান্তি কম হয় এবং জ্বালানি সাশ্রয় হয়। ইলেকট্রনিক থ্রটল বডির পাশাপাশি এতে রয়েছে তিনটি রাইড মোড—ইকো, রোড ও পাওয়ার, যার মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি আপনার মোড বেছে নিতে পারবেন। এর অন্যতম আকর্ষণ হলো নিরাপত্তার দিক থেকেও বাইকটি বেশ এগিয়ে। প্যানিক ব্রেক অ্যালার্ট সিস্টেম জরুরি ব্রেকের সময় পিছনের গাড়িগুলোকে সতর্ক করতে সাহায্য করে। এছাড়া, ৬০টিরও বেশি বৈশিষ্ট্যসহ একটি মাল্টি-কালার ডিজিটাল ডিসপ্লে রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সব তথ্য সহজে দেখা যায়। এমনকি ব্যাটারি একেবারে শেষ হয়ে গেলেও কিক-স্টার্ট করার সুবিধা এটিকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলে।

আধুনিক ডিজাইন: বাইকটির পুরো বডি নতুনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা একে ‘বিগ বাইক’-এর মতো আকর্ষণীয় চেহারা দেয়। সামনে থেকে পেছন পর্যন্ত ফুল এলইডি সেটআপ—হেডল্যাম্প, টেইল ল্যাম্প এবং ইন্ডিকেটর, সবই আধুনিক। এর সঙ্গে রয়েছে একটি ভারী এক্সহস্ট নোট, যা বাইকটিকে আরও আলাদা করে তোলে।

মাইলেজ: এই বাইকটি প্রায় ৬৫ কিমি প্রতি লিটার মাইলেজ দেয়, যা দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য খুবই সাশ্রয়ী। ক্রুজ কন্ট্রোল এবং ইকো মোড জ্বালানি খরচ কমাতে সাহায্য করে। গিয়ার শিফট অ্যাডভাইজরি সঠিক সময়ে গিয়ার বদলানোর পরামর্শ দেয়, ফলে মাইলেজ আরও ভালো হয়। এছাড়া, ডিসপ্লেতে অ্যাভারেজ মাইলেজ এবং কত দূর পর্যন্ত জ্বালানি চলবে সেটাও দেখা যায়।

আরামদায়ক রাইড: চওড়া হ্যান্ডেলবার থাকার কারণে বাইক চালানো সহজ এবং আরামদায়ক হয়। সিটের দৈর্ঘ্য বেশি হওয়ায় এবং পিলিয়নের জন্যও বেশি জায়গা থাকায় দু’জনেরই বসার সুবিধা হয়। সাইলেন্ট ক্যাম চেইন এবং কাউন্টার ব্যালান্সারের কারণে বাইকের শব্দ ও কম্পন কম হয়, যা দীর্ঘ সময় চালানোর ক্ষেত্রে আরাম দেয়। এছাড়া, সিটের নিচে এমন স্টোরেজ রয়েছে যেখানে দুটি স্মার্টফোন অনায়াসে রাখা যায়।

কর্মক্ষমতা: এই বাইকটিতে রয়েছে স্প্রিন্ট ইবিটি ইঞ্জিন, যা ১১.৪ বিএইচপি শক্তি দেয়। ফলে বাইকটি স্বাচ্ছন্দ্যে চলে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত গতি তুলতেও সক্ষম।

সব মিলিয়ে, নতুন ‘গ্ল্যামার এক্স’ উন্নত প্রযুক্তি, নিরাপত্তা এবং আরামের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে, যা আধুনিক রাইডারদের চাহিদা পূরণে সক্ষম।

এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন এই প্রতিবেদনটিহিরো’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিও দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত

আরও পড়ুন