চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীরা
গোবিন্দভোগ চালের গরম গরম পায়েস, বর্ষার দুপুরে খিচুড়ির গন্ধ, আর উৎসব মানেই বাসমতি চালের ঝরঝরে বিরিয়ানি, বাঙালির জীবনে চাল মানেই শুধু খাবার নয়, আবেগ! বারো মাসে তেরো পার্বণের মতোই চাল জড়িয়ে আছে বাঙালির প্রতিটা মুহূর্তে। সেই ভালবাসা আর ঐতিহ্যকেই সামনে রেখে ‘লালবাবা রাইস’ আয়োজন করেছিল ‘পার্বণে আহারে’ প্রতিযোগিতা।
হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়াসহ বাংলার নানা প্রান্ত থেকে ১৫০০-রও বেশি প্রতিযোগী অংশ নেন এবং প্রত্যেকে নিজেদের সেরাটা তুলে ধরেন। শর্ত একটাই, ‘লালবাবা চাল’ দিয়ে বানাতে হবে একটি মিষ্টি আর একটি অন্য রেসিপি। তৈরি হল কত কী এবং সেইসব রান্না তাঁরা পাঠালেন ডিজিটাল ইনবক্সে। এত প্রতিযোগিতার ভিড় থেকে বেছে নেওয়া হল সেরা ১৬ জনকে, চূড়ান্ত পর্বের লড়াইয়ের জন্য।
২৫ মার্চ, কলকাতায় মঞ্চ প্রস্তুত, উত্তেজনা তুঙ্গে! ফাইনালিস্টরা এবার সরাসরি বিচারকদের সামনে রান্না করে দেখালেন ‘লালবাবা চাল’ দিয়ে তৈরি তাঁদের সেইসব সৃষ্টি, যা তাঁদের এনে দিয়েছে শেষ পর্বে। শেষমেশ ঘোষিত হল বিজয়ীদের নাম।
পুরস্কারও ছিল বেশ আকর্ষণীয়। প্রথম স্থানাধিকারী পেলেন ২০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দু’জন পেলেন ১৫ হাজার টাকা করে। তৃতীয় স্থানে থাকা তিনজন পেলেন ১০ হাজার টাকা করে। আর বাকিদের জন্যও ছিল চমক। ১০ জনকে দেওয়া হলো সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে ৮ হাজার টাকা করে।
সব মিলিয়ে, ‘পার্বণে আহারে’ শুধু একটা প্রতিযোগিতা নয়, এ যেন চালকে ঘিরে বাঙালির ভালবাসা আর সৃজনশীলতার এক জমজমাট উৎসব!
এই প্রতিবেদনটি ‘লালবাবা রাইস’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।