‘রিল নেশন ২০২৫’
এই ডিজিটাল যুগে তরুণদের সৃজনশীলতা এবং আত্মপ্রকাশের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে শর্ট-ফর্ম কনটেন্ট। এই পরিবর্তনকেই উদ্যাপন করতে ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’ আয়োজন করেছিল ‘রিল নেশন ২০২৫’, যেখানে একত্রিত হয়েছিলেন শিক্ষার্থী থেকে ইনফ্লুয়েন্সার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর থেকে শিক্ষাবিদরা। এই অনুষ্ঠান, উপস্থিত সকলের মধ্যে বিপুল সারা ফেলেছিল, তার থেকেই প্রমাণিত তরুণ প্রজন্মের কাছে শর্ট-ফর্ম ডিজিটাল কন্টেন্টের চাহিদা কতটা।
‘রিল নেশন ২০২৫’-এ অংশগ্রহণ করেন ১০০-রও বেশি ছাত্রছাত্রী, যাঁরা রিল তৈরি করতে উৎসাহী। এর মধ্যে সেরা ১৫টি রিল বাছাই করে দর্শকদের সামনে লাইভ স্ক্রিনিং করা হয়। প্রখ্যাত ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার প্রেরণা দাস, সৈকত দে, মুকুল কুমার জানা, বিয়াস ধর এবং শমিক অধিকারী-সহ বিশিষ্ট বিচারকমণ্ডলী এই রিলগুলির বিচার করেন। শুধু তাই নয়, তাঁরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁদের মতবিনিময় করেন এবং কনটেন্ট বানানো, নিজস্ব ব্র্যান্ডিং ও পরিবর্তনশীল ডিজিটাল ইকোসিস্টেম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন।
‘রিল নেশন ২০২৫’ দেখতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:
ইনফ্লুয়েন্সার বিচারকদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। তাঁরা শুধু যে তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের অনুপ্রাণিত করেন তাই নয়, এই অনুষ্ঠানটিকে একটি শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতায় পরিণত করেন। সৃজনশীলতা এবং গল্প বলার দক্ষতার ভিত্তিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
এই সন্ধ্যাকে প্রাণবন্ত করে তোলে ‘অভিক অ্যান্ড দ্য আর্ক ইনক ব্যান্ড’-এর লাইভ অনুষ্ঠান, যা দর্শকদের জন্য এক অনন্য ক্যাম্পাসের অভিজ্ঞতা উপহার দেয়।
এই উপলক্ষে আয়োজকরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, অধ্যাপকবৃন্দ, ছাত্র স্বেচ্ছাসেবক, স্পনসর ও অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান, যাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ‘রিল নেশন ২০২৫’ সফল হয়। এই অনুষ্ঠান শুধু তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতাকেই যে উদ্যাপন করেছে তা নয়, শ্রেণিকক্ষের বাইরেও প্রতিভা বিকাশে ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’-র অঙ্গীকারকেও দৃঢ় করে তুলেছে।
‘রিল নেশন ২০২৫’ প্রমাণ করেছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম কী ভাবে তরুণদের কণ্ঠকে দৃঢ় করে তুলতে পারে এবং ক্যাম্পাসকে উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা ও সহযোগিতার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম।
এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’র সঙ্গে আনন্দবাজার ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।