Pure Silver

রুপো কিনতে গিয়ে ঠকতে পারেন ক্রেতারা! পাঁচ বছরে প্রতারণার শিকার ৩০ শতাংশ, নকল রুপো চিনবেন কি করে?

সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে রজত ধাতুটি কেনার সময় ৩০ শতাংশেরও বেশি গ্রাহক প্রতারণার শিকার হয়েছেন। সোনা বা রুপোর মতো মূল্যবান ধাতুর ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় ভীতির জায়গাটি হল বিশুদ্ধতা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৩৬

ছবি: সংগৃহীত।

গত দু’বছর ধরে লাগাতার ঊর্ধ্বমুখী রুপোর দাম। রুপোর দাম বাড়ায় বহু বিনিয়োগকারীই সাদা ধাতুতে লগ্নি করতে আগ্রহী হচ্ছেন। সোনার মতো কদর বেড়েছে ধাতব রুপোরও। দামি এই ধাতু কেনার আগে যাচাই করে নিন এর শুদ্ধতা। কারণ, সম্প্রতি রুপোর কেনাবেচা সংক্রান্ত এমন একটি পরিসংখ্যান সামনে এসেছে যা অবাক করে দেওয়ার মতোই। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, গত পাঁচ বছরে রুপো কিনতে গিয়ে হাজার হাজার মানুষ প্রতারিত হয়েছেন!

Advertisement

সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে রজত ধাতুটি কেনার সময় ৩০ শতাংশেরও বেশি গ্রাহক প্রতারণার শিকার হয়েছেন। সোনা বা রুপোর মতো মূল্যবান ধাতুর ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় ভীতির জায়গাটি হল বিশুদ্ধতা। সমীক্ষায় উঠে এসেছে ৯৩ শতাংশ গ্রাহক জানিয়েছেন, সাদা ধাতু কেনার আগে স্বচ্ছতা এবং নিরাপত্তার অভাব বোধ করছিলেন। রুপোর সামগ্রীর জন্য হলমার্কিং বাধ্যতামূলক করার পক্ষে ছিলেন ক্রেতারা।

২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে সোনার মতো রুপোতেও হলমার্কিং ব্যবস্থা চালু করে কেন্দ্র সরকার। ক্রেতারা যাতে ধাতুটি কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার না হন তার জন্য ডিজিটাল ভাবে শুদ্ধতা শনাক্ত করার ব্যবস্থাও রয়েছে। সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে গ্রাহকেরা ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস বা বিআইএস কেয়ারের মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে গহনা বা রুপোর সামগ্রীর ধরন, বিশুদ্ধতা, হলমার্কের তারিখ, পরীক্ষাকেন্দ্রের বিবরণ এবং বিক্রেতার রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও যাচাই করতে পারবেন। আসল রুপোর গয়নায় বিআইএস হলমার্ক এবং ‘৯২৫’ বা ‘স্টারলিং’ লেখা স্ট্যাম্প থাকে।

Advertisement
আরও পড়ুন