Blackstone buys Diamond Plaza

বিক্রি হয়ে গেল দমদমের বিখ্যাত মল! সাউথ সিটির পর কলকাতায় দ্বিতীয় শপিং মল কিনল ব্ল্যাকস্টোন

২০১১ সালে চালু হওয়া ২.৪৫ লক্ষ বর্গফুটের এই মল চলতি অর্থবর্ষ থেকে হাতে নিচ্ছে মার্কিন সংস্থা ব্ল্যাকস্টোন। নেক্সাস-মলস হোয়াইটফিল্ড। শপিং মলে রয়েছে প‍্যান্টালুন্স, পিভিআর, রিলায়্যান্স ট্রেন্ডজ়, স্মার্ট বাজার, ম‍্যাক্স, কেএফসি, বার্বিকিউ নেশনের মতো সংস্থা। এই মলটির মালিকানা ছিল কাজারিয়া পরিবারের হাতে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২৫

ছবি: সংগৃহীত।

সাউথ সিটির পর এ বার ডায়মন্ড প্লাজ়া। দমদম নাগেরবাজার এলাকার মলটি কিনে নিচ্ছে মার্কিন সংস্থা ব্ল্যাকস্টোন। যদিও সরাসরি নয়, এই শপিং মলটিকে নেক্সাস সিলেক্ট ট্রাস্ট মারফত অধিগ্রহণ করবে তারা। ৩৪৭.৫০ কোটি টাকায় ডায়মন্ড প্লাজ়া শপিং মলটি অধিগ্রহণের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে নেক্সাস সিলেক্ট ট্রাস্ট। এই ট্রাস্ট ব্ল‍্যাকস্টোনের অধীনে থাকা একটি ‘রিয়্যাল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট’। অর্থাৎ, জমি-বাড়ি-সম্পত্তিতে লগ্নি করে এই ট্রাস্ট। সেটিকে বকলমে চালায় আমেরিকার সংস্থাটি। সূত্র অনুসারে আগামী চার মাসের মধ্যেই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

Advertisement

২০১১ সালে চালু হওয়া ২.৪৫ লক্ষ বর্গফুটের এই মল চলতি অর্থবর্ষ থেকে হাতে নিচ্ছে ট্রাস্টের সংস্থা নেক্সাস-মলস হোয়াইটফিল্ড। শপিং মলে রয়েছে প‍্যান্টালুন্স, পিভিআর, রিলায়্যান্স ট্রেন্ডজ়, স্মার্ট বাজার, ম‍্যাক্স, কেএফসি, বার্বিকিউ নেশনের মতো সংস্থা। এই মলটির মালিকানা ছিল কাজারিয়া পরিবারের হাতে। প্রতি বর্গফুটের জন্য ডায়মন্ড প্লাজ়া নেক্সাস ট্রাস্টের হাতে আসার ফলে কলকাতা তথা রাজ্যের দু’টি শপিং মলের মালিকানা পেল ব্ল‍্যাকস্টোন। সাউথ সিটি মল কেনার আগে পর্যন্ত পূর্ব ভারতে কোনও বাণিজ্যিক প্রকল্প তাদের হাতে ছিল না। গোটা দেশের মধ্যে ১৯টি মল রয়েছে সংস্থাটির হাতে।

ব্ল্যাকস্টোন ইনকর্পোরেটেড হল আমেরিকার একটি লগ্নিকারী সংস্থা। ১৯৮৫ সালে পিটার পিটারসন এবং স্টিফেন শোয়ার্জম্যান সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। সেই সময় তাঁদের হাতে ছিল চার লক্ষ ডলারের মূলধন। ব্ল্যাকস্টোনের অধীনস্থ ‘রিয়্যাল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট’ ১.১ কোটি বর্গফুটের পোর্টফোলিয়ো তৈরির জন্য দেশের বিভিন্ন মহানগরীগুলিতে সম্পত্তি বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ নির্বাচিত কিছু টিয়ার-২ শহরগুলিকে বাছাই করে সেখানে সম্পত্তি অধিগ্রহণের দিকে নজর দিয়েছেন, বিশেষ করে দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতের গ্রাহকেরাই হল সংস্থাটির নতুন লক্ষ্য।

Advertisement
আরও পড়ুন