—প্রতীকী চিত্র।
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশে উৎপাদন ক্ষেত্রে জোর দেওয়ার কথা বার বার বলেছে মোদী সরকার। নানা ধরনের প্রকল্পও ঘোষণা করেছে। তবে মঙ্গলবার কেন্দ্রের সমীক্ষা জানাচ্ছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে বাজারে অসংগঠিত ক্ষেত্রে তৈরি পণ্য ও পরিষেবার মোট মূল্যে (গ্রস ভ্যালু অ্যাডিশন বা জিভিএ) অংশীদারিত্বের নিরিখে উৎপাদন শিল্প রয়েছে সবচেয়ে পিছনে। এ ক্ষেত্রে ৪২% অংশীদারি নিয়ে প্রথমে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পরিষেবা। তার পরে বাণিজ্য, ৩৭%। সেখানেই উৎপাদনের ভাগ ২১%। এই তিন ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হারের নিরিখে প্রথম স্থানে রয়েছে বাণিজ্য (১৬.৭৭%), উৎপাদন সেখানে দ্বিতীয় (৮.৫২%) ও তৃতীয় অন্যান্য পরিষেবা, ৭.৩৬%।
তবে সংস্থাগুলির মধ্যে ডিজিটাল পরিষেবা নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে, সেটাও তুলে ধরেছে এই সমীক্ষা। যা বলছে, ৩৯ শতাংশের বেশি সংস্থা ইন্টারনেট পরিষেবা নিয়েছেন। আগে ছিল ২৬.৭%। গত সপ্তাহে সরকারি পরিসংখ্যান জানিয়েছিল, দেশে বেকারত্বের হার এখনও ঘোরাফেরা করছে ৫ শতাংশের আশেপাশে। তবে গত বছরে ভারতে অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজের ছবি উন্নত হয়েছে বলেও এ দিন দাবি করেছে পরিসংখ্যান মন্ত্রক।