Job Crisis

যুদ্ধে অনিশ্চিত কাজের বাজার, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সুরাহার দাবি করল বিএমএস

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রের কর্মী-শ্রমিকদের উপর পড়া প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল আরএসএস-ঘনিষ্ঠ শ্রমিক সংগঠন বিএমএস।

সংবাদ সংস্থা
শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ০৮:৫৫

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রের কর্মী-শ্রমিকদের উপর পড়া প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল আরএসএস-ঘনিষ্ঠ শ্রমিক সংগঠন বিএমএস। সুইৎজ়ারল্যান্ডের জেনিভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আয়োজিত ১১৪তম সম্মেলনে এই সঙ্কটের কথা তুলে ধরে বিএমএস। অস্থিরতার জেরে বিদেশে কর্মসংস্থানে কোপ পড়া, অনাবাসী ভারতীয়দের দেশে পাঠানো অর্থের পরিমাণ কমে আসা এবং ক্ষুদ্র-ছোট-মাঝারি শিল্পের উপর বিরূপ প্রভাব নিয়ে চিন্তিত তারা। এ ছাড়া, ক্রমবর্ধমান নেট নির্ভর কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের বৃহত্তর সামাজিক সুরক্ষার দাবিও জানিয়েছে বিএমএস।

সম্মেলনে সংগঠনের দাবি—

  • যুদ্ধের কারণে সমুদ্রপথে বাণিজ্যে ব্যাঘাত ঘটায় তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে। ভারতে ফিরে আসা অনাবাসী শ্রমিক ও গিগ কর্মীদের জীবিকার উপরে এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে।
  • তাই এই সমস্ত কর্মীদের অর্থনীতিতে বেশি করে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি তাঁদের অধিকার, সম্মান ও সামাজিক নিরাপত্তার উপর জোর দিক দেশগুলি।
  • প্রযুক্তির অগ্রগতির হাত ধরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যেন শ্রমিকদের বিকল্প না হয়ে, তা নিশ্চিত করা হোক।
  • ‘শ্রম’ হল মানব সম্পদ। তাই ‘লেবার মার্কেট’ বা শ্রম বাজারের মতো শব্দের ব্যবহার বন্ধ করে ‘লেবার ফোর্স’-এর বা শ্রম শক্তি মতো শব্দ ব্যবহার চালু হোক।
  • পরিযায়ী শ্রমিক ও ভারতের বাইরে কাজ করতে যাওয়া কর্মীদের সুরক্ষা ও চাকরির অনিশ্চয়তার কথা মাথায় রেখে সুরাহায় এগিয়ে আসুক দেশগুলি।

বিএমএস-এর কর্মী প্রতিনিধি বোজ্জি সুরেন্দ্রন জানান, গিগ ও প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের সুরক্ষার আওতায় আনতে কেন্দ্র ও কিছু রাজ্য ইতিমধ্যেই যে পদক্ষেপ করেছে, তা প্রশংসনীয়। তবে বর্তমান বিশ্বের সঙ্কটের মুখে এই কর্মীদের সহায়তা করতে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর নীতি প্রণয়ন জরুরি।

আরও পড়ুন