Calcutta Stock Exchange

খুলছে কলকাতার শেয়ার বাজার

সম্প্রতি সিএসই কর্তৃপক্ষ অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে কলকাতার শেয়ার বাজারটিকে ফের চালু করার আর্জি জানান। কেন তা খোলা সম্ভব, তার কারণগুলিও ব্যাখ্যা করেন।

প্রজ্ঞানন্দ চৌধুরী
শেষ আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬ ০৭:৪৯

দীর্ঘ ১৩ বছর পরে ফের ‘ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ’ (সিএসই) চালু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সোমবার ২০২৬-২৭ সালের বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানান, সিএসই-র দরজা খুলতে উদ্যোগী হবে রাজ্য সরকার।

সূত্রের দাবি, সম্প্রতি সিএসই কর্তৃপক্ষ অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে কলকাতার শেয়ার বাজারটিকে ফের চালু করার আর্জি জানান। কেন তা খোলা সম্ভব, তার কারণগুলিও ব্যাখ্যা করেন। বাজেটের ঘোষণায় খুশি ওই বাজারের ব্রোকার-সহ সংশ্লিষ্ট মহল। তাঁদের আশা, এ বার দেশের ঐতিহ্যশালী এক ব্যবসার প্রতিষ্ঠান প্রাণ ফিরে পাবে। যা রাজ্যে উন্নয়নের গতি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকাও নেবে। তবে একাংশের সতর্কবার্তা, গোড়া থেকেই সতর্ক থাকতে হবে সরকারকে। প্রথম থেকেই কড়া নজর রাখতে হবে সেবিকে। নিশ্চিত করতে হবে স্বচ্ছ লেনদেন।

সিএসই স্থাপিত হয় ১৯০৮-এ। মুম্বইয়ের শেয়ার বাজার বিএসই-র পরেই এটি দেশের দ্বিতীয় পুরনো বাজার। শেষ বার লেনদেন হয়েছিল ২০১৩-র ৪ এপ্রিল। তার পরে সেখানে নথিবদ্ধ ব্রোকারদের বিএসই এবং এনএসইতে লেনদেনের অনুমতি দেওয়া হয়। ওই ব্যবস্থাও ২০২৪ থেকে বন্ধ।

সিএসইকে চাঙ্গা করার দাবি উঠছে বহু দিন ধরে। চেয়ারম্যান দীপঙ্কর বসু বলেন, ‘‘কলকাতার স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার লেনদেন শুরুর জন্য সব থেকে আগে জরুরি নিয়ন্ত্রক সেবির অনুমোদন। সেটা পেলেই আমরা কাজ শুরু করব। বাজার চালু রাখার জন্য জরুরি ‘সিকিউরিটি গ্যারান্টি ফান্ড’, ‘ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ড’-সহ আরও কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস আমাদের রয়েছে।’’ তবে তাঁর দাবি, লেনদেন শুরু করতে হলে সিএসই-র পরিকাঠামো বা প্ল্যাটফর্মকে আধুনিক করে তুলতে হবে। লাগবে প্রযুক্তিগত সহায়তা। কারণ, এই ক’বছরে শেয়ার লেনদেনের দুনিয়াও অনেক আধুনিক হয়েছে। সেবির অনুমোদন পেলেই তাঁরা সেই কাজ শুরু করবেন।

‘‘সিএসইকে চাঙ্গা করতে অর্থের অভাব হবে না’’, মন্তব্য শেয়ার বাজারটির প্রাক্তন ডিরেক্টর বিনয় আগরওয়ালের। তিনি বলেন, ‘‘এই বাজারের বর্তমান নিট সম্পদ ৩০০ কোটির বেশি। গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা ফান্ডে রয়েছে ৬০ কোটি। আরও কিছু সূত্র থেকে আয়ের ব্যবস্থা হতে পারে।’’

আরও পড়ুন