—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
পাটের অভাবে বিপাকে দেশের চটশিল্প। রাজ্যে বন্ধ হয়েছে অনেকগুলি চটকল। বহু কর্মী কাজ হারিয়েছেন। তবে মঙ্গলবার সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিংহের দাবি, চটকল বন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ সংশ্লিষ্ট সংস্থার পরিচালনাগত সমস্যা। কেন্দ্র পাটের সরবরাহ নিশ্চিত করতে মজুত নিয়ন্ত্রণ বা বেআইনি মজুত ধরতে তল্লাশি চালানো-সহ সব রকম পদক্ষেপ করছে।
গত তিন বছর ধরে কী-কী কারণে দেশের কোন-কোন চটকল বন্ধ হয়েছে, তা প্রতিটি রাজ্য ধরে জানতে চেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কাজ হারানো কর্মীদের পুনর্বাসন এবং চালুগুলিতে কাঁচামালের জোগান নিশ্চিত করতে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করেছে, তা-ও ছিল প্রশ্ন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জবাবেই স্পষ্ট মন্ত্রী পাট জোগানের সমস্যার কথা মানেননি। সমস্যার দায় ঠেলেছেন চটকল মালিকদের ঘাড়ে। গিরিরাজ জানিয়েছেন, কোথায় কতগুলি বন্ধ হচ্ছে, সেই তথ্যও তাঁদের কাছে নেই। রাজ্য এবং জুট কমিশনার জানেন। তবে সরকারি ভাবে নথিভুক্ত, তিন বছরে দেশে একটি চটকল স্থায়ী ভাবে বন্ধ হয়েছে। শিল্পের বক্তব্য, পাটের জোগান আটকে চটকলে তালা ঝোলাচ্ছে মজুতদারেরা। কেন্দ্র বসে দেখছে। সরকারি আশ্বাসের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতি মেলানো কঠিন। চটকল মালিকদের দাবি, গঙ্গার ধারে একের পর এক মিল কাঁচা পাটের অভাবে শিফ্ট কমাচ্ছে, কোথাও কোথাও উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। সঙ্কট যুঝতে দরকার কেন্দ্র ও রাজ্যের রাজনৈতিক স্তরে যৌথ পদক্ষেপ।