গৌতম আদানি। ফাইল চিত্র।
শেয়ার হস্তান্তরে কারচুপি নিয়ে ফের কংগ্রেসের তোপের মুখে আদানি গোষ্ঠী। এ বার অর্গানাইজ়ড ক্রাইম অ্যান্ড কোরাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্টের (ওসিসিআরপি) নতুন রিপোর্ট তুলে বিরোধী দলের দাবি, আদানিদের ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তির মাধ্যমে বেনামি তহবিল দিয়েই গোষ্ঠীর বিভিন্ন সংস্থার শেয়ার কেনা হয়েছে। কংগ্রেস বহু বার আদানিদের ‘জালিয়াতির’ বিরুদ্ধে যৌথ সংসদীয় কমিটি গড়ে তদন্তের দাবি তুললেও, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার সামনে ‘দেওয়াল তুলেছেন’। নতুন অভিযোগ নিয়ে গোষ্ঠী মুখ না খুললেও, আগে ওসিসিআরপি-র অভিযোগ খারিজ করেছিল তারা। বেআইনি লেনদেনের মাধ্যমে কৃত্রিম ভাবে গৌতম আদানির সংস্থার শেয়ার দর বৃদ্ধির অভিযোগ তুলেছিল আমেরিকার হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ। পরেসংস্থা বন্ধ হওয়ায় স্বস্তি পায় আদানিরা।
বুধবার কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশের দাবি, সততার সঙ্গে সংস্থা গড়ে তোলাকে তাঁদের দল স্বাগত জানায়। কিন্তু এর সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ককে হাতিয়ার করে ব্যবসা বাড়ানোর প্রক্রিয়ার তফাত রয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘আদানিদের ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তি চ্যাং চুং-লিং ও নাসের আলি শাবান আলির মাধ্যমে বেনামি অর্থ ব্যবহার গোষ্ঠীর সংস্থাগুলির শেয়ার কেনা হয়েছে।’’ অভিযোগ, ওসিসিআরপি-র রিপোর্ট জানিয়েছে আগে যা মনে করা হয়েছিল, তার থেকে দুই ব্যক্তির হাতে আদানিদের সংস্থার অনেক বেশি শেয়ার রয়েছে। সুইস ব্যাঙ্কে তাঁরা স্বীকারও করেছেন। এতে আছে ২০২৩ পর্যন্ত হেজ ফান্ডের মাধ্যমে কেনা ৩০০ কোটি ডলারের (প্রায় ২৭,০০০ কোটি টাকা) শেয়ার।