—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
পাঁচ মাসের মধ্যে সব থেকে বেশি অঙ্কের রফতানি স্বস্তি দিলেও, এপ্রিলের পরিসংখ্যান আশঙ্কামুক্ত থাকতে দিল না ভারতের অর্থনীতিকে। মূলত সোনা-রুপোর হাত ধরে গত মাসে ১০% বেড়ে গেল আমদানি। দাঁড়াল ৭১৯৪ কোটি ডলারে। যা ছ’মাসে সর্বোচ্চ। আর কার্যত সেই কারণেই বাণিজ্য ঘাটতি তিন মাসের উঁচুতে মাথা তুলে ২৮৩৮ কোটি ছুঁল। সম্প্রতি বিদেশি মুদ্রার খরচ আটকাতে এক বছর দেশের মানুষকে গয়না কিনতে বারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আমদানি শুল্ক বেড়েছে। আমদানির বিধি হয়েছে কড়া। এই উদ্বেগে কার্যত সিলমোহর দিয়ে শুক্রবার বাণিজ্য মন্ত্রকের তথ্য দেখিয়েছে, সোনা আমদানি ৮১.৬৯% বেড়ে পৌঁছেছে ৫৬২ কোটি ডলারে। রুপোয় বৃদ্ধি ১৫৭.১৬%। আমদানির অঙ্ক ৪১.১০ কোটি ডলার।
যদিও রফতানি বৃদ্ধিকে অর্থনীতির পক্ষে যথেষ্ট ইতিবাচক বলেই মনে করছে সরকার-সহ সংশ্লিষ্ট সব মহল। এপ্রিলে তা বেড়েছে ১৩.৪৮%। ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বাজারে লাফিয়ে বেড়েছে পেট্রপণ্যের দাম। কেন্দ্রের দাবি, রফতানির বেড়ে ৪৩৫৬ কোটি ডলার হওয়ার কারণ সেটাও। চার বছরের মধ্যে কোনও এক মাসে যা সর্বাধিক। রুপোলি রেখা অশোধিত তেলের আমদানি ১০% কমা।
বাণিজ্যসচিব রাজেশ আগরওয়ালের বক্তব্য, ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কট সত্ত্বেও রফতানি বেড়েছে। এর একটা কারণ হতে পারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি। যা মূল্যের নিরিখে রফতানিকে ঠেলে তুলেছে। পাশাপাশি নতুন নতুন বাজার খুঁজে পেতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিও এই সাফল্যের কারণ। যদিও প্রশ্ন, ঘাটতিতে রাশ টানা না গেলে আখেরে এতে লাভ হবে কি!