—প্রতীকী চিত্র।
দেশে সামগ্রিক ভাবে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে বলে জানাল ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস বুরো (এনসিআরবি)। তবে সামগ্রিক ভাবে গোটা দেশে গত বছরের তুলনায় আত্মহত্যার সংখ্যা কমেছে। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ৩১ শতাংশ ঘটনাতেই মৃতেরা হলেন দিনমজুর।
ভাল ফল করার চাপ ক্রমশ পড়ুয়াদের উপরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফলে প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনা। ২০২৪ সালে দেশে মোট ১৪,৪৮৮ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেন, যা ২০২৩ সালের চেয়ে প্রায় ৪.৩ শতাংশ বেশি। সে বছর দেশে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনা ছিল ১৩,৮৯২টি। তুলনায় ২০১৫ সালে দেশে পড়ুয়ার আত্মহত্যার সংখ্যা ছিল ৮৯৩৪।
এ থেকে স্পষ্ট, গত এক দশকে প্রায় দেড় গুণের চেয়ে বেশি বেড়েছে ছাত্রছাত্রীদের আত্মহননের প্রবণতা। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সব মিলিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ১,১৫,৮৫০ জন পড়ুয়া। পশ্চিমবঙ্গের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে ২৬১ জন ছাত্র ও ২৫৮ জন ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। রাজ্যগুলির মধ্যে পড়ুয়াদের আত্মহত্যায় শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র (১৯০৯ জন)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ (১৫৮৫ জন)।
সার্বিক ভাবে ২০২৪ সালে আত্মহত্যা করেছেন ১,৭১,৪১৮ জন, আগের বছরের চেয়ে ০.৪ শতাংশ কম। আত্মহননকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যা দিনমজুরদের। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে মোট ৫২,৯১০ জন দিনমজুর আত্মহত্যা করেছেন, যা তার আগের বছরের চেয়ে প্রায় ছ’হাজার বেশি। আত্মহত্যার প্রশ্নে দিন মজুরদের পরেই রয়েছেন গৃহবধূরা। ২০২৪ সালে অন্তত ২২,১১৩ জন গৃহবধূ আত্মঘাতী হয়েছেন। রাজ্যগুলির মধ্যে আত্মহত্যার নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র (২২,১৭৪ জন)। তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ (১২,৯৩২ জন)।