— প্রতীকী চিত্র।
ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় মে মাসের শুরুতেই ভারতে শেয়ার বিক্রি করে প্রায় ১৪,২৩১ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে বিদেশি লগ্নিকারী সংস্থাগুলি। অন্য দিকে, বাজারের অস্থিরতার কারণে ধাক্কা খেয়েছে দেশের সব থেকে বেশি শেয়ারমূল্যের ১০টি সংস্থার মধ্যে চারটি। সেগুলির মোট শেয়ারমূল্য প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা কমেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্টেট ব্যাঙ্ক।
এ বছরের অর্ধেক পেরনোর আগেই ভারতের বাজার থেকে প্রায় দু’লক্ষ কোটি টাকার লগ্নি তুলেছে বিদেশি লগ্নি সংস্থাগুলি। যা পুরো ২০২৫ সালের ১.৬৬ লক্ষ কোটির চেয়েও বেশি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, যা হাল, তাতে এ বছরে অঙ্কটা পৌঁছতে পারে ভয়ানক জায়গায়। শুধু ফেব্রুয়ারি বাদে এ পর্যন্ত বাকি সব মাসেই ওই সব সংস্থা ছিল বিক্রেতার ভূমিকায়। তারা জানুয়ারিতে ৩৫,৯৬২ কোটি তুলে নিয়েছিল। পরের মাসে ২২,৬১৫ কোটির শেয়ার কেনে, যা ছিল ১৭ মাসের সর্বোচ্চ মাসিক লগ্নি। যুদ্ধের মধ্যে মার্চে নজিরবিহীন ভাবে তুলে নেয় ১.১৭ লক্ষ কোটি টাকা। এপ্রিলে ৬০,৮৪৭ কোটি। মে মাসেও যে এই ঝোঁক অব্যাহত।
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় অনিশ্চয়তা, অশোধিত তেলের চড়া দাম ও তার জেরে দেশে জ্বালানির চড়তে থাকা দর, মূল্যবৃদ্ধির মাথা তোলার আশঙ্কা, আগামী দিনে সুদ বৃদ্ধির সম্ভাবনার মতো বিষয় তো রয়েছেই। তার সঙ্গে ভারতের তুলনায় চিনের বাজারে শেয়ারের কম দাম এবং আমেরিকার ঋণপত্রের বাজার এ দেশের বহু লগ্নিকে টেনে নিচ্ছে।