— প্রতীকী চিত্র।
রাশিয়ার অশোধিত তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা ছিল ভারত। আমেরিকার রক্তচক্ষুর সামনে আমদানি কমানোয় নেমে এল তৃতীয় স্থানে। চিন অবশ্য এখনও রুশ তেলের বৃহত্তম ক্রেতা।
মঙ্গলবার ইউরোপীয় জ্বালানি উপদেষ্টা সিআরইএ-এর দাবি, গত মাসে রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ় ও এ দেশের অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি রুশ তেলের বরাত ছেঁটেছে বা কেনা বন্ধ করেছে। ফলে নভেম্বরে ভারতে যে আমদানি ৩৩০ কোটি ইউরো ছুঁয়েছিল, তা-ই ডিসেম্বরে নেমেছে ২৩০ কোটি ইউরোয়। প্রায় ২৯% কম।
রাশিয়ার রসনেফ্ট ও লুকঅয়েলের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মস্কোর তেল কেনায় ভারতের উপরেও শাস্তি শুল্ক বসেছে। তা আরও বাড়ানোর হুমকিও দিয়েছে। সম্প্রতি তা এই ক্ষেত্রে ৫০০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি দেন। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, মস্কোর তেলে এখনও এ দেশের যতটা নির্ভরতা আছে, ভবিষ্যতে তা-ও উধাও হতে পারে।