—প্রতীকী চিত্র।
দেশ জুড়ে রান্নার গ্যাস বণ্টন স্বাভাবিক হওয়ার পথে আরও একটু এগিয়েছে। তবে ইন্ডিয়ান অয়েল ছাড়া বাকি দুই রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা এখনও সে ভাবে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার দিতে শুরু করেনি। এই আবহে একাধিক সূত্রের খবর, বাড়িতে রান্না করার গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করছে হোটেল-রেস্তরাঁগুলির একাংশ। যা বেআইনি। এটা আটকাতে তেল সংস্থাগুলি নতুন নির্দেশ জারি করে জানিয়েছে, কোনও গ্রাহক যদি গত ন’মাস সিলিন্ডার না কিনে থাকেন, তা হলে এখন কিনতে হলে ই-কেওয়াইসি জমা বাধ্যতামূলক।
তেল সংস্থা সূত্রের দাবি, এমন গ্রাহকও আসছেন, যিনি গত পাঁচ বছর ধরে কোনও সিলিন্ডার নেননি। একই অভিযোগ বিক্রেতারাদের (ডিলার)। বিষয়টি তারা তেল সংস্থাগুলিকে জানানোর পরে কালোবাজারি রোখার চেষ্টায় রাশ টানতে জারি হয়েছে এই নির্দেশিকা। এইচপি এলপিজি ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে সঞ্জয় আগরওয়াল জানান, গত কয়েক দিনে এ রকম বহু গ্রাহক এসেছেন যাঁরা শেষ ছ’মাস বা এক বছর গ্যাস কেনেননি। হঠাৎ এখন উদয় হয়েছেন। তেল সংস্থা সূত্রের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিটি বাড়িতে সিলিন্ডার জোগানোই প্রধান লক্ষ্য। তাই এই ধরনের কালোবাজারি রুখতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ই-কেওয়াইসি। এতে সিলিন্ডার কোথায় যাচ্ছে জানা যাবে। কমবে জালিয়াতি।
অন্য দিকে, ইন্ডেন এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের সংগঠনের কর্তা বিজন বিশ্বাস জানান, ডেলিভারি অথেনটিকেশন কোড’ (ডিএসি) না দিয়ে অনেকে সিলিন্ডার নিতে চাইছেন। তাতে সমস্যা বাড়ছে। কলকাতার এক ভারত গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরেরও একই অভিযোগ। এর প্রেক্ষিতে তেল সংস্থাগুলি আগেই জানিয়েছে, এই কোড ছাড়া সিলিন্ডার দেওয়া হবে না। বিজনের দাবি, অনেকে সিলিন্ডার নিয়ে অসৎ পথে তা বিক্রি করতে চাইছেন। অনেকের আবার ফোন রিচার্জ না থাকায় মেসেজ আসছে না। ফলে একটা গণ্ডগোল দেখা দিচ্ছে। এর থেকে বাঁচতে সব গ্রাহকের মোবাইল যাতে সচল থাকে, তার পরামর্শ দিচ্ছে তেল সংস্থাগুলি।