Crude Oil Price

বিশ্ব বাজারে আরও সস্তা হবে তেল, দেশেও কি শীঘ্রই কমবে দাম?

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আমেরিকা-ইরানের মধ্যে প্রাথমিক শান্তি চুক্তির পরে হরমুজ় প্রণালী খুলেছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে জোগান। সেই কারণেই অশোধিত তেল এতটা সস্তা হয়েছে, যা ফেব্রুয়ারির পরে সব থেকে কম।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ০৬:২০

—প্রতীকী চিত্র।

ক্রমশ কমছে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম। ব্রেন্ট ক্রুড রবিবার নেমে গিয়েছে ব্যারেল পিছু ৭১.৯৯ ডলারে। ডব্লিউটিআই ঘুরছে ৬৯ ডলারের আশেপাশে। আর বিভিন্ন দেশের অশোধিত তেল মিলিয়ে-মিশিয়ে তৈরি যে ‘বাস্কেট’ থেকে ভারত তা আমদানি করে, দিন চারেক আগেই তার দাম হয়েছে ৭০.৭১ ডলার।ফলে যুদ্ধের আবহে তেলে আমদানি নির্ভর এ দেশের বেড়ে যাওয়া খরচ কমেছে। প্রশ্ন উঠেছে, জ্বালানি সস্তা হওয়ার এই সুবিধা দেশবাসীর কাছে পৌঁছবে কবে?

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আমেরিকা-ইরানের মধ্যে প্রাথমিক শান্তি চুক্তির পরে হরমুজ় প্রণালী খুলেছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে জোগান। সেই কারণেই অশোধিত তেল এতটা সস্তা হয়েছে, যা ফেব্রুয়ারির পরে সব থেকে কম। তবে একাংশের অভিযোগ, এর আগে যখন ওই তেল ৭০-৭১ ডলারে নেমেছিল, তখন তার সুবিধা ভারতের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয়নি। দাম অপরিবর্তিত ছিল পেট্রল-ডিজ়েলের। তা কমেনি। যুদ্ধ শুরুর পরে বেশ কিছু দিন বিশ্ব বাজারে তেল ১০০ ডলারের উপর থাকতেই টানা চার বার দেশে সেগুলির দাম বাড়িয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। যা ঠেলে তুলেছে খাবার-সহ বিভিন্ন পণ্যের দামকে। খরচ বেড়েছে যাতায়াতের। ভারী হচ্ছে সাধারণ রোজগেরে গৃহস্থের আর্থিক বোঝা।

ওই মহলের মতে, বিশ্ব বাজারে দাম কমার সময় দেশেও তেল সস্তা হলে, প্রয়োজনে তা বাড়ানোর সময় আপত্তি তুলবে না কেউ। কারণ, তাতে আমজনতার সমস্যা কম হয়। তার উপর দ্রুত পেট্রল-ডিজ়েলের দাম কমলে মূল্যবৃদ্ধির হার ফের মাথা নামাবে। সুদ বৃদ্ধির আশঙ্কাও থাকবে না। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় তেলমন্ত্রী অবশ্য বলেছেন, ‘‘ভারতে প্রকৃত অর্থে তেলের দাম বাড়েইনি।’’ এই কারণেও সেগুলির দাম কমার সম্ভাবনা নিয়ে সন্দিহান অনেকে। কলকাতায় পেট্রল এখন লিটারে ১১৩.৫১ টাকা, ডিজ়েল ৯৯.৮২ টাকা।

আরও পড়ুন