Share Market

যুদ্ধবিরতি-সহ একাধিক কারণে প্রায় তিন হাজার পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স, বাড়ল টাকাও

এ দিন ডলারের সাপেক্ষে চাঙ্গা হয়েছে টাকাও। প্রতি ডলার ৫২ পয়সা নেমে দাঁড়িয়েছে ৯২.৫৪ টাকায়। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে ডলার ৯৫ টাকায় উঠেছিল। ১৪ বছরের মধ্যে গত অর্থবর্ষে সবচেয়ে বেশি নেমেছে (৯.৮৮%) টাকার দর।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:২৯

— প্রতীকী চিত্র।

আমেরিকা-ইরানের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এবং তার জেরে বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের ব্যারেল পিছু ৯০ ডলারে নেমে আসা। একই সঙ্গে নতুন অর্থবর্ষের প্রথম ঋণনীতি বৈঠকে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের সুদের হারে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা এবং ২০২৬-২৭ সালের জন্য আর্থিক বৃদ্ধির ৬.৯% পূর্বাভাস। এই সমস্ত ঘটনাতেই বুধবার উত্থানের মুখ দেখল ভারতের শেয়ার বাজার। সেনসেক্স একলাফে উঠল ৩০১৮.৯৬ পয়েন্ট। শেষে আগের দিনের থেকে ২৯৪৬.৩২ বেড়ে থামল ৭৭,৫৬২.৯০ অঙ্কে। লগ্নিকারীরা ফিরে পেলেন ১৬.২৫ লক্ষ কোটি টাকার শেয়ার সম্পদ। নিফ্‌টিও ৮৭৩.৭০ এগিয়ে পৌঁছেছে ২৩,৯৯৭.৩৫-এ। এই নিয়ে টানা পাঁচ দিন উঠল সূচক। এই ক’দিনে সেনসেক্স বাড়ল ৫৬১৫.৩৫ পয়েন্ট, নিফ্‌টি ১৬৬৫.৯৫।

এ দিন ডলারের সাপেক্ষে চাঙ্গা হয়েছে টাকাও। প্রতি ডলার ৫২ পয়সা নেমে দাঁড়িয়েছে ৯২.৫৪ টাকায়। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে ডলার ৯৫ টাকায় উঠেছিল। ১৪ বছরের মধ্যে গত অর্থবর্ষে সবচেয়ে বেশি নেমেছে (৯.৮৮%) টাকার দর। চলতি অর্থবর্ষে হারানো জমি কতটা উদ্ধার করতে পারবে, সেটাই প্রশ্ন। এ দিন শীর্ষ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মলহোত্র জানান, ‘অতিরিক্ত জল্পনার’ ফলেই টাকার দামে এতটা অস্থিরতা দেখা গিয়েছে। তাই পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছে আরবিআই। তবে সেই সব ব্যবস্থা আজীবন কার্যকর থাকবে না।

দেশীয় লগ্নিকারীরা এ দিন কিনেছে ৪১৬৮.১৭ কোটি টাকার শেয়ার। তবেবহাল বিদেশি লগ্নিকারী সংস্থাগুলির বিক্রি (২৮,১১.৯৭ কোটি)। বাজার বিশেষজ্ঞ আশিস নন্দীর মতে, লগ্নিকারীদের ধারণা যুদ্ধবিরতির মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে পাকাপাকি সিদ্ধান্ত হতে পারে। পাশাপাশি, বন্ডের প্রকৃত আয় (ইল্ড) নেমেছে। বহু ভাল শেয়ার কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। এই ঘটনাই টেনে তুলেছে শেয়ার বাজারকে।

আরও পড়ুন