— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
চিকিৎসাবিজ্ঞান কিংবা যন্ত্রমেধা নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি দিতে চাইছেন এ দেশের পড়ুয়ারা। কেউ কানাডা, কেউ আমেরিকা আবার কেউ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে পড়াশোনার সুযোগ বেছে নিচ্ছেন। নীতি আয়োগের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪-এ এমন ১৩ লক্ষ ৩৫ হাজার পড়ুয়া পড়াশোনার জন্য বিদেশ পাড়ি দিয়েছেন।
দেশের পড়ুয়াদের মধ্যে ৩ লক্ষ ৩১ হাজার জন আমেরিকা, ২ লক্ষ ৩৩ হাজার জন কানাডা, ৪৯ হাজার ৮১৪ জন অস্ট্রেলিয়া এবং ১৬ হাজার ৮৩৫ জন জাপানকে ২০২৪-এ উচ্চশিক্ষার জন্য বেছে নিয়েছেন। এ ছাড়াও উচ্চশিক্ষার জন্য বহু পড়ুয়াই চিন, তাইল্যান্ড, জার্মানির মতো দেশেও গিয়েছেন। তবে, সার্বিক ভাবে প্রথম তালিকায় রয়েছে আমেরিকাই। গত ২৫ বছরে ১১,২৬,৬৯০ ভারতীয় পড়ুয়া পাড়ি দিয়েছেন। এর পরেই রয়েছে কানাডা (৮,৪২,৭৬০), ব্রিটেন (৭,৫৮,৮৫৫), অস্ট্রেলিয়া (৪,৩৭,৪৮৫) এবং চিন (২,০০, ৮৯২)।
কেন্দ্রের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এ সব দেশে পড়াশোনার জন্য আলাদা করে স্কলারশিপও দেওয়া হয় বিদেশি পড়ুয়াদের জন্য। এ ছাড়াও পঠনপাঠনের সঙ্গে গবেষণা নির্ভর কাজও শিখে নিতে পারেন তাঁরা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজের অনুমোদনও বরাদ্দ করা হয় মেধাবীদের।
তবে, দেশে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের সংখ্যাও গত কয়েক বছরে বেড়েছে। তাই বিদেশ থেকেও এ দেশে অনেকেই উচ্চশিক্ষার জন্য আসছেন। তবে সেই সংখ্যা ৫০,০০০ হাজারেরও কম। এ জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন বিষয়ের পাঠ্যক্রম চালু করা হয়েছে। আলাদা করে ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের পাঠদানেরও পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।
কেন্দ্রের দাবি, বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারস্পরিক ভাব বিনিময়ের মধ্য দিয়েই মেধার উৎকর্ষ বৃদ্ধি পাবে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ অনুযায়ী, ভারতীয় উচ্চশিক্ষার পরিকাঠামো পরিবর্তিত হচ্ছে। আইআইটি মাদ্রাজ ইতিমধ্যেই দুবাইয়ে গ্লোবাল সেন্টার চালু করেছে। ২ লক্ষ বিদেশি পড়ুয়ার জন্য দেশে উচ্চশিক্ষার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে বলে কেন্দ্রের দাবি।