Language Policy in Schools

তিনটি ভাষার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতি কার্যকর করতে ছাপা হচ্ছে ৯টি ভারতীয় ভাষার বই

ভবিষ্যতে সিবিএসই স্কুলগুলির দশমের পরীক্ষায় তৃতীয় ভাষাও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৩০

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্কুলপড়ুয়াদের তিনটি করে ভাষা শেখাতে হবে বাধ্যতামূলক ভাবে, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ অনুযায়ী, এই নিয়ম সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলে চালু করতে তৎপর কেন্দ্র। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির জন্য ওই নিয়ম চালু করতে চলেছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)।

Advertisement

জাতীয় শিক্ষানীতির নিয়ম অনুযায়ী, পড়ুয়াদের স্থানীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষার পাশাপাশি দু’টি ভাষা বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সিবিএসই-র তরফে ইতিমধ্যেই ন’টি ভারতীয় ভাষায় বই ছাপানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলা, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড়, গুজরাতি। দশমের বোর্ড পরীক্ষাতেও তৃতীয় ভাষার পরীক্ষা হতে চলেছে। ওই ব্যবস্থা ২০৩১-এর মধ্যে চালু করতে চায় কেন্দ্র।

এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর স্কুল এডুকেশন-এর (এনসিএফএসই) এক আধিকারিক জানিয়েছে, তৃতীয় ভাষা হিসাবে জার্মান, ফরাসির মত বিদেশি ভাষাও শেখা যেতে পারে।

তবে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিভিন্ন রাজ্য। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন আগেই বলেছেন, “উত্তর ভারতের হিন্দি সংস্কৃতিকে জোর করে তামিলভূমি এবং সেখানকার বাসিন্দাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।” স্কুলস্তরে হিন্দি ভাষা বেছে নেওয়ার বিষয়ে প্রবল বিরোধিতা করা হলে, তেলঙ্গনা প্রশাসনও সব স্কুলে বাধ্যতামূলক ভাবে তেলুগু ভাষায় পঠনপাঠন চালু করা হয়।

যদিও কেন্দ্র এই সমস্ত দাবি নস্যাৎ করে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কেন্দ্র কোনও ভাষা চাপিয়ে দিচ্ছে না। প্রাথমিক স্তর থেকে যাতে মাতৃভাষার পাশাপাশি, ইংরেজির মতো ভাষায় স্কুলপড়ুয়ারা দক্ষ হয়ে উঠতে পারে, তা-ই একমাত্র লক্ষ্য।

Advertisement
আরও পড়ুন