CBSE Revaluation 2026

অভিযোগ, পরীক্ষার খাতা ঝাপসা, আবেদনমূল্য কেটে নেওয়ার পরেও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন নয়! কী জানাল সিবিএসই?

পোর্টালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পরীক্ষার খাতার প্রতিলিপি পাওয়ার জন্য আবেদনই করতে পারছেন না পরীক্ষার্থীরা, এমনও অভিযোগ উঠেছিল। সে বিষয়েও শনিবার আশ্বস্ত করলেন সিবিএসই কর্তৃপক্ষ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ মে ২০২৬ ২০:০১

ছবি: সংগৃহীত।

সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন-এর (সিবিএসই) দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার খাতার প্রতিলিপি অত্যন্ত ঝাপসা, পড়ুয়াদের নিজের হাতের লেখা বুঝতেই অসুবিধা হচ্ছে, তা হলে কী ভাবে পরীক্ষকেরা নম্বর দিলেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের একাংশ। এর পরই পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ জানাল বোর্ড।

Advertisement

সিবিএসই তাদের এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছে, খাতা মূল্যায়ন এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় ন্যায্যতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখবে বোর্ড। আবেদন গৃহীত হয়েছে, এমন পরীক্ষার্থীদের প্রতিটি খাতা বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের দ্বারা খতিয়ে দেখা হবে বলেই জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি, পোর্টালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পরীক্ষার খাতার প্রতিলিপি পাওয়ার জন্য আবেদনই করতে পারছেন না পরীক্ষার্থীরা, এমনও অভিযোগও উঠেছিল। সে বিষয়েও শনিবার আশ্বস্ত করলেন সিবিএসই কর্তৃপক্ষ। পোর্টালের সমস্যার কারণে কোনও পরীক্ষার্থীর কোনও ক্ষতি হতে দেওয়া হবে না বলেই জানাল বোর্ড।

একই সঙ্গে বেশ কয়েক জন পড়ুয়া দাবি করেছিলেন, খাতা দেখার আবেদনের জন্য মূল্য কেটে নেওয়া হয়েছে, অথচ আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়নি। ফলে খাতাও দেখা যায়নি। বোর্ডের হেল্পলাইন বা টেলি-কাউন্সেলিং সার্ভিস থেকেও এই অর্থপ্রদান প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ দেখানো হয়েছে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কোনও সঠিক সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না বলেই জানিয়েছেন পড়ুয়ারা। সে বিষয়ে বোর্ডের তরফে ছাত্রছাত্রীদের বার বার পেমেন্ট বা আবেদন করার চেষ্টা করতে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ এতে ডুপ্লিকেশন বা আরও দেরি হতে পারে বলেই মনে করছে সিবিএসই। এ ছাড়াও সমাজমাধ্যমে ছড়ানো কোনও গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র অফিসিয়াল আপডেটের উপর ভরসা রাখতে বলা হয়েছে।

এই বছর থেকে প্রথম চালু হয়েছে অন-স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পদ্ধতিতে খাতা দেখা। আর প্রথম বছরই প্রায় ৯৮ লক্ষ খাতা ডিজিটালি স্ক্যান করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। যার মধ্যে শুরুর দিকে প্রায় ৬৮ হাজার খাতায় স্ক্যানিং সংক্রান্ত সমস্যা দেখা গিয়েছিল। পরে যাচাই করার পর দেখা যায়, আসলে সমস্যা রয়েছে মাত্র ১৩ হাজার খাতায়। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছিল, এই ১৩ হাজার খাতায় সমস্যার কারণ হিসাবে পড়ুয়াদেরই দায়ী করেছেন সিবিএসই কর্তৃপক্ষ। হালকা কালির কলম ব্যবহার করার জন্যই এমন হয়েছে। যদিও শনিবার বোর্ডের তরফে সব সমস্যাই গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলেই আশ্বাস দেওয়া হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন