প্রতীকী চিত্র।
একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির জন্য শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হয়েছে ২১ জানুয়ারি। তার পর এক সপ্তাহ কেটে গেলেও বিষয় ভিত্তিক শূন্যপদের চূড়ান্ত তালিকা পৌঁছয়নি স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-র কাছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে কাউন্সেলিং নিয়ে।
শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, ১২,৪৪৫টি শূন্য পদে বিষয় ভিত্তিক ও জাতি ভিত্তিক কোথায় কত শূন্যপদ রয়েছে তার নির্ভুল তালিকা পাঠানো হবে এসএসসি-র কাছে। তাই সময় লাগছে। অন্য দিকে এসএসসির বক্তব্য, এই তালিকা আসার পর তা খতিয়ে দেখতে আরও তিন-চার দিন সময় লাগবে। কোনও ভুল নজরে পড়লে তা সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠানো হবে। অর্থাৎ, ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের আগে কাউন্সেলিং প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এর আগে এসএসসি আদালতে হলফ নামা দিয়ে জানিয়েছিল, মেধাতালিকা (প্যানেল ও ওয়েটিং লিস্ট) প্রকাশ হবে ৭ জানুয়ারি। সে কথা রাখা যায়নি। মেধাতালিকা প্রকাশ হয় দু’সপ্তাহ পর ২১ জানুয়ারি। কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার কথা ছিল ১৫ জানুয়ারি। মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে নিয়োগপত্র দেওয়ার সুপারিশ পাঠানোর কথা ছিল ১৬ জানুয়ারি থেকে। সে সব দিনই পেরিয়ে গিয়েছে।
এ দিকে নবম দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ এখনও হয়নি। এ জন্য তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল গত বছর ২৬ ডিসেম্বর। তা-ও সম্পন্ন হয়নি। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফ থেকে হলফনামা দিয়ে জানানো হয়েছিল, ইন্টারভিউ পরে মেধাতালিকা প্রকাশ হতে পারে আগামী ২৪ মার্চ। মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে সুপারিশ পত্র পাঠানো শুরু হতে পারে ৩১ শে মার্চ। কিন্তু পরিস্থিতি যে দিকে গড়াচ্ছে, তাতে এসএসসি-র পক্ষে এই সময়সীমা মানাও সম্ভব হবে বলে মনে করছেন না বিশেষজ্ঞেরা।
এসএসসি সূত্রের খবর, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পর গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। তারপর নবম দশমের ইন্টারভিউয়ের জন্য তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হবে।
উল্লেখ্য, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। পরে মধ্য শিক্ষা পর্ষদ ও এসএসসি-র আবেদনের ভিত্তিতে ওই সময়সীমা ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে।