— প্রতীকী চিত্র।
দীর্ঘ ৮ বছর ধরে ডিএ-প্রাপ্ত স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা তাঁদের ডি আর (ডিয়ারনেস রিলিফ) পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তুলে বিকাশ ভবনে স্মারকলিপি দিল বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি। পাশাপাশি কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতার বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানাল সংগঠন ।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল জানান, ২০১৫ থেকে যে সব শিক্ষক ডিএ-প্রাপ্ত স্কুলে শিক্ষকতা করতেন তাঁরা বহু দিন ধরেই ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের পেনশনের অর্থ খুব কম। কার্যত সংসার চালানো দায় হয়ে গিয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে তাঁরা কেউ ভাতা পাচ্ছেন না। রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর থেকে ফাইল সরছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দ্রুত পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয়।
পাশাপশি তিনি জানিয়েছেন যে, সম্প্রতি অর্থ দফতর থেকে মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত যে নির্দেশিকা বেরিয়েছে, তার পরে স্কুল শিক্ষা দফতর থেকে ‘ম্যাচিং অর্ডার’ প্রকাশ করা প্রয়োজন। না হলে নির্ধারিত ৩১ মার্চের মধ্যে মহার্ঘ ভাতা পাওয়া নিয়ে সমস্যা হবে বলে জানান তিনি।
এই মহার্ঘ ভাতা আদায়ের দাবিতে বেশ কয়েক বার বিক্ষোভ দেখানোর পর গত ১৩ মার্চ যৌথ মঞ্চের ডাকা ধর্মঘটে শামিল হয়েছিলেন শিক্ষকেরা। তার পরে অবশ্য নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের কিছু আগে মুখ্যমন্ত্রী মহার্ঘ ভাতা প্রদানের বিষয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। এর পর অর্থ দফতর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
সে বিজ্ঞপ্তি দেখেই শিক্ষকেরা দাবি তোলেন যে, সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে ম্যাচিং অর্ডার না প্রকাশ করা হলে ভাতা পেতে সমস্যা হবে। সেই বিষয়েই এ দিন স্মারকলিপি দেন তাঁরা।