প্রতীকী চিত্র।
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ শেষ দিন আর মাত্র কয়েকদিন। এখনও ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পে একাদশ শ্রেণির বহু পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা আসেনি। বিশেষত যারা বৃত্তিমূলক বিষয়ের পড়ুয়া। অভিযোগ এমনই।
ডাইরেক্টরেট অফ ভোকেশনাল এডুকেশনাল ট্রেনিং-এর তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, ২৮৫টি স্কুলের বেশ কিছু পড়ুয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সমস্যা ও অন্য প্রযুক্তিগত কারণে টাকা আসেনি। দ্রুত সে সমস্যার সমাধান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্কুলগুলিকে।
তবে শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, শুধু বৃত্তিমূলক বিষয়ের পড়ুয়াদেরই নয়, একাদশ শ্রেণির অন্য বেশ কিছু পড়ুয়ার ক্ষেত্রেও এই একই সমস্যা হয়েছে। সংখ্যাটা ৫ শতাংশের কাছাকাছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বেশির ভাগ পড়ুয়াই টাকা পেয়ে গিয়েছে। প্রযুক্তিগত কারণে বা অ্যাকাউন্ট নম্বরের কারণে কারও কারও ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। প্রতি বছর শিক্ষক দিবস অর্থাৎ ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্য ওই টাকা পেয়ে যায় পড়ুয়ারা। কিন্তু এ বছর তা পাওয়া গিয়েছে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।
এর আগে অভিযোগ উঠেছিল, বহু পড়ুয়ার টাকা বেহাত হয়ে গিয়েছে। শিক্ষা দফতর তাই আগেই জানিয়েছিল, এ বার তারা অনেক বেশি সতর্ক। চলতি বছর থেকে কিছু নতুন নিয়ম তাই চালু করেছে শিক্ষা দফতর। তাই বিলম্ব হয়েছিল। কিন্তু তার পরও নানা সমস্যা রয়েছে প়ড়ুয়াদের তথ্যে।
বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “এটা ঠিক যে এই অর্থবর্ষের মধ্যে টাকাটা না পেলে আগামী অর্থবর্ষে টাকা পাওয়া কঠিন হবে।”