গ্রাফিক : আনন্দবাজার ডট কম
প্রায় অর্ধেক খাতা জমা পড়ে গিয়েছে পর্ষদে। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার তিন সপ্তাহের মধ্যেই রাজ্যের প্রায় ৯৮ শতাংশ প্রধান পরীক্ষক বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস ও ভূগোলের প্রায় ৫০ শতাংশ পরীক্ষার্থীর নম্বর জমা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রের খবর, দোলের ছুটির আগেই এই নম্বর ইতিমধ্যে জমা পড়েছে। স্বস্তিতে পর্ষদ।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকেই উত্তরপত্র বিতরণ শুরু হয়। তার প্রায় ১৬ দিনের মধ্যে প্রধান বিষয়গুলির নম্বর জমা পড়ায় সকলেই খুশি। যদিও এখনও বিস্তর কাজ বাকি, তবু ঠিক সময়ে ফলপ্রকাশের বিষয়ে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ।
পর্ষদের এক কর্তা বলেন, “নম্বর জমা পড়ার পর আরও তিন বার তা যাচাই করা হবে। তাই প্রথম পর্যায়ে কত শীঘ্র নম্বর জমা পড়ছে, তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্যায়ে দেরি হলে পরের ধাপে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আশা করা যায় ফলপ্রকাশ হবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই।”
পর্ষদ সূত্রের খবর, চলতি বছর প্রায় ৯ লক্ষ ৭১ হাজারের শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষার ফলপ্রকাশ নিয়ে এমনিতেই বাড়তি উত্তেজনা থাকে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে। তার উপর এ বছর এসআইআর-এর কাজে ব্যস্ত ছিলেন বহু শিক্ষক। ফলে পরীক্ষা কী ভাবে পরিচালনা করা হবে তা নিয়ে যেমন অনিশ্চয়তা ছিল, তেমনই খাতা দেখার বিষয়টি নিয়েও উদ্বেগ ছিল।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, “এসআইআর-এর চাপ সামলেও আমরা নিরন্তর কাজ করেছি। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ জড়িয়ে রয়েছে এই মূল্যায়নের সঙ্গে। তাই খাতা দেখার কাজটা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ।”