MAKAUT Agitation

দাবি আদায়ে অনশন! ম্যাকাউটের পূর্ণসময়ের চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের একাংশ সামিল আন্দোলনে

ম্যাকাউট সহ আরও তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তার মধ্যেই ফের অচলাবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ ১৪:৪৮

ছবি: সংগৃহীত।

বিক্ষোভ আন্দোলন তো ছিলই। এ বার বিভিন্ন দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে বসলেন মৌলানা আবুল কালাম আজ়াদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ম্যাকাউট ) পূর্ণসময়ের চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের একাংশ। বৃহস্পতিবার উপাচার্যের ঘরের সামনে পর্যায়ক্রমে তাঁরা অনশন করবেন বলে জানিয়েছেন।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয়ের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে এই অনশন শুরু হয়। তৃণমূল শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপার ম্যাকাউট শাখার সভাপতি তোতন ঘোষ বলেন, “দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে। তবে পঠনপাঠনে এর কোনও প্রভাব পড়বে না।” গত সপ্তাহ থেকেই অস্থায়ী উপাচার্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছেন শিক্ষকদের একংশ। এর আগেও তোতন জানিয়েছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার নিয়ম ভেঙে আইনের বিভাগীয় প্রধান পদে বসিয়েছেন একজন ম্যানেজমেন্ট শিক্ষককে, যা বেআইনি। এ ভাবে চলতে থাকলে বার অ্যাসোসিয়েশন কোর্স বাতিল করে দিতে পরে।

পাশাপাশি , আইটি বিভাগের এনবিএ অনুমোদন চলে যাওয়া, সর্বভারতীয় কর্ম তালিকা এনআইআরএফ-এ স্থান নেমে যাওয়া, পড়ুয়া ভর্তি তলানিতে চলে যাওয়ার মতো বিষয়গুলিও রয়েছে। পাশাপাশি ৩ শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধি বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষোভ রয়েছে তাঁদের মধ্যে। তবে সম্প্রতি আন্দোলনের জেরে প্রায় ৩০ শিক্ষকের চুক্তি পুনর্নবীকরণ করেছেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেখানেও বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। কারও ৬ মাস, কারও আবার ১ বছরের জন্য চুক্তি পুনর্নবীকরণ করা হয়েছে বলে দাবি। অথচ, বেতন বৃদ্ধি হয়নি। এ দিনের আন্দোলনে রয়েছে সেই বৈষম্যের অভিযোগও।

সম্প্রতি ম্যাকাউট-সহ তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। দ্রুত স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ হতে পারে বলেই আশা সকলের। তবেই কি সমস্যা মিটবে? সে দিকেই তাকিয়ে শিক্ষা মহল। এ দিন অবশ্য অস্থায়ী উপাচার্য তাপস চক্রবর্তী বলেন, “সাধারণত অনশনের পথ বেছে নেওয়া হয় কোনও নীতিগত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। ম্যাকাউটে কেউ চাকরি হারাননি। সকলেই রয়েছেন। সে ক্ষেত্রে এই অনশন দুৰ্ভাগ্যজনক।”

৩ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির বিষয় তিনি বলেন, “বিষয়টি যদি কর্মসমিতিতে পাশ হয়েই থাকে, তা হলে তা লঙ্ঘন করবার ক্ষমতা একজন উপাচার্যের থাকে না।

Advertisement
আরও পড়ুন