ছবি: সংগৃহীত।
আইআইটি প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভর্তির জন্য অলিম্পিয়াড-এর মতো আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। সদ্যই ওই প্রতিষ্ঠানগুলিতে ব্যাচেলর অফ টেকনোলজি (বিটেক) এবং ব্যাচেলর অফ ইঞ্জিনিয়ারিং (বিই) কোর্সে ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি), কানপুরের তরফে ওই সব কোর্সে ‘অলিম্পিয়াড কোটা’য় ১৪ জনকে ভর্তি নেওয়া হয়েছে।
কী এই ‘অলিম্পিয়াড কোটা’?
জাতীয় এবং আন্তজার্তিক স্তরে বিজ্ঞান, প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। একাদশ এবং দ্বাদশের পড়ুয়াদের যুক্তিভিত্তিক চিন্তা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং বিশ্লেষণী ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ওই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়ে থাকে। তাতে বিজয়ী কিংবা সেরা তিন প্রতিযোগী আইআইটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন। এর জন্য তাঁদের জয়েন্ট এন্ট্রানস্ এগ্জ়ামিনেশন অ্যাডভান্সড-এ উত্তীর্ণ না হলেও চলে। প্রতিষ্ঠানের তরফে ‘অলিম্পিয়াড কোটা’র অধীনে ভর্তি নেওয়া হয়।
কী ভাবে যোগ্যতা যাচাই হয়?
‘অলিম্পিয়াড কোটা’র অধীনে ভর্তি হতে আগ্রহীদের দ্বাদশ উত্তীর্ণ হওয়া প্রয়োজন। তাঁদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার জন্য একটি পরীক্ষায় পাশ করতে হয়। কম্পিউটার বেস্ড টেস্ট (সিবিটি) পদ্ধতিতে ওই পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যা, রসায়ন এবং গণিত বিষয় থেকে ১৫টি করে প্রশ্ন করা হয়। তিন ঘণ্টার পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর এবং অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় উৎকর্ষের প্রদর্শনের ভিত্তিতে তাঁদের ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে থাকে।
আইআইটি, কানপুর সূত্রে খবর, যে ১৪ জনকে ভর্তি নেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ছ’জন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, দু’জন বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস অ্যান্ড বায়োইঞ্জিনিয়ারিং, এবং বাকিরা গণিত, রসায়ন, ইন্টালিজেন্ট সিস্টেমস এবং ডেটা সায়েন্স বিষয়গুলি স্নাতক স্তরে বেছে নিয়েছেন।