ছবি: সংগৃহীত।
ইঞ্জিনিয়ারিং স্নাতকে ভর্তির ক্ষেত্রে ‘ল্যাটেরাল এন্ট্রি’-র দায়িত্বও নিজেদের হাতে নিতে চায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিষয়ে প্রস্তাব গৃহীত হল কর্মসমিতির বৈঠকে।
সূত্রের খবর, নিয়ম অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক স্তরে ‘ল্যাটেরাল এন্ট্রি’ করতে হলেও প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘জিলেট’ (জয়েন্ট এন্ট্রান্স ল্যটেরাল এন্ট্রি টেস্ট) দিতে হয়। তার পর কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেছে নিতে পারেন পড়ুয়ারা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সব পড়ুয়া ভর্তি হতে চান তাঁরা যেন সরাসরি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব প্রবেশিকা পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হতে পারেন, সেই মর্মে কর্মসমিতিতে সকলে সম্মতি দিয়েছেন। যদিও সরকারি প্রতিনিধি এর বিরুদ্ধেই মত দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এক শিক্ষক।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, যদিও বিষয়টি পুরোপুরি রাজ্য সরকারের বিবেচনাধীন। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাউন্সেলিং সম্পূর্ণ নিজেদের হাতে রাখতে চেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। আনন্দবাজার ডট কম-এ সেই খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে শুধু ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাউন্সেলিং নয়, এ বার ‘ল্যাটেরাল এন্ট্রি’-র ক্ষেত্রেও রাশ নিজেদের হাতেই রাখতে চাইছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এক শিক্ষক জানান, মাধ্যমিকের পর যাঁরা পলিটেকনিকের কোর্স শেষ করে তাঁরা ‘জিলেট’-এর মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্নাতক অর্থাৎ বিটেক করার সুযোগ পান। তাঁরা সাধারণত বিটেকের দ্বিতীয় বর্ষ অর্থাৎ তৃতীয় সেমেস্টার থেকে পঠনপাঠন শুরু করেন। কিন্তু গত বছরে এই প্রবেশিকা গ্রহণে বিস্তর বিলম্ব হয়। যখন পড়ুয়ারা ভর্তি হতে আসেন, তখন একটি সেমেস্টার প্রায় শেষের দিকে। অন্য সেমেস্টারের পঠনপাঠন শুরু হয়ে গিয়েছিল। পড়ুয়ারা প্রায় এক বছর ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। শেষ মুহূর্তে কোনও ভাবে পরিস্থিতির সামাল দেওয়া হয়েছে দাবি শিক্ষকদের।
এই ঘটনার পরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষকই ভর্তি প্রক্রিয়া বদলের পক্ষে মত দিয়েছেন। এ কারণে কর্মসমিতিতে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, পৃথক ল্যাটেরাল এন্ট্রির পরীক্ষার। তবে এই সিদ্ধান্তে সায় দেননি কর্মসমিতিতে থাকে সরকারের প্রতিনিধি। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্তা জানান, বিযয়টি রাজ্য সরকারকে জানানো হবে।