RFID

কাজ কমছে গ্রন্থাগারিকের! পড়ুয়াদের বই সংগ্রহ সহজ করতে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র বসানো হচ্ছে কলকাতার কলেজে

অধ্যক্ষ জানান, গ্রন্থাগারে একটি যন্ত্র রাখা হয়েছে। প্রথমে সেই যন্ত্রের উপরে সদস্যের কার্ড রেখে স্ক্যান করিয়ে নিতে হবে। এর পর যে বইটি পড়ুয়া নিতে চান, সেটিকেও রাখতে হবে ওই যন্ত্রের উপর। এতে পরস্পর সংযুক্ত হয়ে যাবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ১৮:৪১
গ্রন্থাগার থেকে বই নিচ্ছেন এক শিক্ষক ।

গ্রন্থাগার থেকে বই নিচ্ছেন এক শিক্ষক । ছবি: সংগৃহীত।

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া কলেজের গ্রন্থাগারে। সব তথ্য স্বয়ংক্রিয় করতে কলেজ পড়ুয়াদের গ্রন্থাগার সদস্যপদের পরিচয়পত্রে ‘রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন’ (আরএফআইডি) যুক্ত করল নিউআলিপুর কলেজ। ফলে গ্রন্থাগার থেকে কোন পড়ুয়া কতগুলি বই সংগ্রহ করছেন, কবে তা ফেরত দিচ্ছেন— সবই জানা যাবে সহজে।

Advertisement

কলেজের অধ্যক্ষ জয়দীপ ষড়ঙ্গী জানান, এর ফলে সব বইয়ের সঠিক হিসাব রাখা সহজ হবে। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে বই সংগ্রহের ঝক্কিও কম হবে। কী ভাবে কাজ করবে এই প্রযুক্তি?

অধ্যক্ষ জানান, গ্রন্থাগারে একটি যন্ত্র রাখা হয়েছে। প্রথমে সেই যন্ত্রের উপরে সদস্যের কার্ড রেখে স্ক্যান করিয়ে নিতে হবে। এর পর যে বইটি পড়ুয়া নিতে চান, সেটিকেও রাখতে হবে ওই যন্ত্রের উপর। এতে পরস্পর সংযুক্ত হয়ে যাবে।

প্রায় ১৬ হাজার বইতে এই ট্যাগ করানোর কাজ শেষ করেছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। বর্তমান শিক্ষাবর্ষের জন্য সদস্যদের কার্ডেও এই ট্যাগ করা হয়েছে। অটোমেটিক বা স্বয়ংক্রিয় ভাবেই সংশ্লিষ্ট পড়ুয়ার এবং বইয়ের বিস্তারিত তথ্য নথিবদ্ধ হয়ে যাবে কম্পিউটারে। ফলে বই নেওয়ার জন্য আর কোনও পড়ুয়াকে কাউন্টারের লাইনে দাঁড়াতে হবে না। কোনও মানুষের সাহায্য ছাড়াই যে কেউ বই তুলতে পারবেন।

কিন্তু কার্ডে নথিবদ্ধ না করিয়ে কোনও পড়ুয়া বই গ্রন্থাগার থেকে নিয়ে বেরতে গেলেই কাজ করবে আরএফআইডি প্রযুক্তি। গ্রন্থাগারের প্রবেশ পথ বসানো হয়েছে অ্যালার্ম। সেটি বেজে উঠবে।

অধ্যক্ষ জয়দীপ ষড়ঙ্গী এ দিন বলেন, ‘‘ভোগান্তিহীন ভাবে পড়ুয়া এবং শিক্ষকেরা বই সংগ্রহ করতে পারবেন। এর ফলে বইমুখী পড়ুয়া ও শিক্ষকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করি।’’

Advertisement
আরও পড়ুন