— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
মেডিক্যাল শাখার অধীনে স্নাতকোত্তর স্তরের পড়াশোনার পর স্পেশ্যালাইজ়েশনের সুযোগও থাকে। নবীন চিকিৎসকেরা প্র্যাকটিসের পাশাপাশি, যকৃৎ প্রতিস্থাপন, ব্রেস্ট ইমেজিং, অর্থোপ্লাস্টির মতো বিষয়ে নিয়ে বিশদ জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। তবে, তা পড়ার জন্য বিশেষ প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক। ফেলোশিপ এন্ট্রানস্ টেস্ট (এফইটি) শীর্ষক ওই পরীক্ষাটির সূচি প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল বোর্ড অফ এগ্জ়ামিনেশনস ইন মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এনবিইএমএস)।
পরীক্ষাটি দিতে আগ্রহীদের ডক্টর অফ মেডিসিন (এমডি), ডিপ্লোমেট অফ ন্যাশনাল বোর্ড (ডিএনবি), ডক্টরেট অফ মেডিসিন (ডিএম), মাস্টার অফ সার্জারি (এমএস) এবং মাস্টার অফ চিরুগিয়ে (এমসিএইচ) ডিগ্রি থাকা প্রয়োজন। তবে, এই পরীক্ষাটি বিদেশ থেকে উল্লিখিত ডিগ্রি অর্জন করেছেন, এমন প্রার্থীরাও পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
যে সমস্ত বিষয় নিয়ে পড়ার সুযোগ?
যকৃৎ প্রতিস্থাপন, অ্যাডিকশন সাইকিয়াট্রি, অর্থ্রোপ্লাস্টি, ব্যারিয়াট্রিক সার্জারি, ব্রেস্ট ইমেজিং, ফেটাল রেডিয়োলজি, হেড অ্যান্ড মাইক্রো সার্জারি, মিনিমাল অ্যাক্সেস সার্জারি, নিউরোভাসকুল্যার ইন্টারভেনশন, ট্রমা অ্যান্ড অ্যাকিউট কেয়ার সার্জারি। ট্রমা অ্যান্থেশিয়া অ্যান্ড ক্রিটিক্যাল কেয়ার, স্পাইন সার্জারি, রেনাল ট্রান্সপ্লান্ট, স্পাইন সার্জারি, পেন মেডিসিন-এর মতো মোট ৩৬টি বিষয় নিয়ে স্পেশ্যালাইজ়েশন-এর সুযোগ পাওয়া যাবে। তবে, বিদেশের পড়ুয়াদের কাছে মাত্র ১৬টি বিষয় বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকছে।
কী ভাবে ভর্তি নেওয়া হবে?
উত্তীর্ণদের কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে। কোর্সে ভর্তি হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রশিক্ষণ পর্ব চলবে। সেই সময় একটি পারফরম্যান্স রেকর্ড বুক-এ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য লিখে রাখতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, বাছাই করা প্রার্থীরা ফেলোশিপও অর্জন করার সুযোগ পাবেন।
পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য:
কম্পিউটার বেসড টেস্ট (সিবিটি) পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রে ৭ টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে প্রবেশ করতে হবে। সকাল ৯টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে, চলবে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত। পরীক্ষা ১৪ মার্চ নেওয়া হবে। ফলাফল ১৪ এপ্রিলের মধ্যে জানিয়ে দেবে এনবিইএমএস।
কী ভাবে আবেদন করবেন?
অনলাইনে এনবিইএমএস-এর ওয়েবসাইট মারফত আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। আবেদনের শেষ দিন ৩ ফেব্রুয়ারি।