school students of west bengal

একশো বছরে স্বাধীন ভারত! প্রবন্ধ ও অঙ্কনে সেরা ২০০ স্কুলপড়ুয়াকে লালকেল্লায় ডাকবে কেন্দ্র

বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, সমগ্র শিক্ষা মিশনের তরফ থেকে স্কুলগুলিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবন্ধের বিষয় ‘২০৪৭ সালের উন্নত ভারত গঠনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ভূমিকা’। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘মাইগভ’ এবং ‘মাইভারত’ পোর্টালে আগামী ১ জুন থেকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ‘আপলোড’ করতে হবে। অঙ্কনের বিষয় ‘১৯৪৭-এর ভারত বনাম ২০৪৭-এর ভারত’। পাশাপাশি থাকছে অনলাইন কুইজের ব্যবস্থাও।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ১৯:১৪

ছবি : ফাইল চিত্র।

২০৪৭-এর ভারত কেমন হবে, স্কুলপড়ুয়াদের মধ্যে তার রেখাচিত্র এঁকে দিতে চাইছে সরকার। সম্প্রতি স্কুলপড়ুয়াদের জন্য প্রবন্ধ, অঙ্কন ও কুইজ় প্রতিযোগিতার ঘোষণা করা হয়েছে সারা দেশে। বিজয়ী ২০০ জন পুরস্কার হিসাবে পাবে ১৫ অগস্ট লালকেল্লায় উপস্থিত থাকার সুযোগ।

Advertisement

বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, সমগ্র শিক্ষা মিশনের তরফ থেকে স্কুলগুলিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবন্ধের বিষয় ‘২০৪৭ সালের উন্নত ভারত গঠনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ভূমিকা’। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘মাইগভ’ এবং ‘মাইভারত’ পোর্টালে আগামী ১ জুন থেকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ‘আপলোড’ করতে হবে। অঙ্কনের বিষয় ‘১৯৪৭-এর ভারত বনাম ২০৪৭-এর ভারত’। পাশাপাশি থাকছে অনলাইন কুইজের ব্যবস্থাও।

সমগ্র শিক্ষা মিশনের এক জেলার আধিকারিক জানান, বেশ কয়েকদিন আগে এই নির্দেশ এসেছিল। সব স্কুলকে সেটা পাঠিয়েও দেওয়া হয়েছে। ‘মাইগভ’ এবং ‘মাইভারত’ পোর্টালেই আবেদন করতে হবে স্কুল পড়ুয়াদের।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি বিভাগে প্রথম তিনজন বিজয়ীকে ১৫ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে। এ ছাড়া, সেরা ২০০ জনকে দিল্লির লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ই-আমন্ত্রণ জানাবে কেন্দ্র। পড়ুয়াদের সঙ্গে একজন অভিভাবকও যোগ দিতে পারবেন।

কলকাতার এক স্কুলশিক্ষক বলেন, এ ধরনের উদ্যোগে পড়ুয়াদের বাড়তি উৎসাহ পায়। কেন্দ্রের আমন্ত্রণে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া বেশ আকর্ষণীয়। তবে, এই উদ্যোগ এই প্রথম নয়। দফতরের এক কর্তা জানান, এর আগেও কেন্দ্রের তরফ এ রকম কিছু প্রকল্প ছিল। অনেক সময়ই তা স্কুলে স্কুলে জানানো হয়নি।

বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘উদ্যোগ ভাল। প়ড়ুয়রা উৎসাহিত হবে। কিন্তু দিল্লি যাওয়া, সেখানে থাকার খরচ বহন করার ক্ষমতা সব পড়ুয়ার পরিবারের না-ও থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে তো প্রতিভাবান সফল ওই প্রতিযোগী সুযোগ হারাবে। সরকারের এই দিকটিও ভাবা প্রয়োজন।”

Advertisement
আরও পড়ুন