DIET college principal

জেলা শিক্ষা প্রশিক্ষণ সংস্থায় অধ্যক্ষ নিয়োগের তোড়জোড়, নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ! কী জানাল পিএসসি

রাজ্যে মোট ২১ টি ডায়েট রয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ২টিতেই অধ্যক্ষ রয়েছেন। ওই কেন্দ্র থেকেই শিক্ষকদের নানা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। সরকারি তরফে যে কোনও সমীক্ষা চালানোর দায়িত্ব থাকে এই কেন্দ্রগুলির উপরে। নানা গবেষণাও এখানে করা হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:১১

— প্রতীকী চিত্র।

অবশেষে রাজ্যের সরকারি ‘ডিস্ট্রিক্ট ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং’ (ডায়েট) বা জেলা শিক্ষা প্রশিক্ষণ সংস্থায় অধ্যক্ষ নিয়োগের তোড়জোড় শুরু করল পাবলিক সার্ভিস কমিশন। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানিয়েছে, শীঘ্রই অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে।

Advertisement

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে এতদিন ধরে ওই পদগুলি ফাঁকা পড়ে ছিল। নির্বাচন ঘোষণার পরই কেন বিজ্ঞাপন দেওয়া হল? এর ফলে কি নির্বাচনের আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘিত হচ্ছে না?

পাবলিক সার্ভিস কমিশনের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, কমিশন একটি সাংবিধানিক সংস্থা। রাজ্য সরকারি কোনও দফতরের অধীনে নয়। তাই এই সংস্থা নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হওয়ায় নির্বাচনের ‘মডেল অফ কন্ডাক্ট’ বা আদর্শ আচরণবিধি অমান্য করা হয় না। দেশের যে কোনও রাজ্যের পাবলিক সার্ভিস কমিশনই এই আওতার বাইরে বলে দাবি।

যদিও শিক্ষকদের একাংশ এই বিজ্ঞপ্তিতে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার প্রচেষ্টাই দেখছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, ‘‘আসলে আইনের ফাঁক দিয়ে নির্বাচনের সময়ে নিয়োগের ঘোষণা করে কারা রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে চাইছে সেটা বোঝাই যাচ্ছে।’’

স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, রাজ্যে মোট ২১ টি ডায়েট রয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ২টিতেই অধ্যক্ষ রয়েছেন। ওই কেন্দ্র থেকেই শিক্ষকদের নানা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। সরকারি তরফে যে কোনও সমীক্ষা চালানোর দায়িত্ব থাকে এই কেন্দ্রগুলির উপরে। নানা গবেষণাও এখানে করা হয়। পাশাপাশি চলে ডিএলএড প্রশিক্ষণও। সেখানেই এতদিন অধ্যক্ষ না থাকায় কাজে ব্যাঘাত ঘটছিল বলেই অভিযোগ।

পাবলিক সার্ভিস কমিশনের এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর মনে করা হচ্ছে, এ বারে ডায়েটগুলিতে অধ্যক্ষ নিয়োগ করা সম্ভব হবে। তবে কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে নিয়োগ সংক্রান্ত বাকি সব তথ্য পরে কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন