Abroad Education Rules 2026

ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী ভারতীয় পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ ঘোষণা, কোন সুবিধা পাওয়া যাবে?

ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মাক্রোঁ দিল্লিতে কৃত্রিম মেধা সম্মেলন-এ যোগ দিতে এসেছেন। সেখানেই তিনি ভারতীয় পড়ুয়াদের ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার জন্য কী কী সুবিধার কথা ভাবা হয়েছে, তা জানিয়েছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৮

ছবি: এআই।

বিদেশে, বিশেষত ইউরোপের দেশগুলিতে পড়াশোনা করতে যাওয়ার জন্য ভারতীয় পড়ুয়াদের একাধিক নিয়ম মানতে হয়। ফ্রান্সের তরফে সেই নিয়মেই কিছু ছাড় দেওয়া হতে চলেছে। দিল্লিতে কৃত্রিম মেধা সম্মেলন-এ যোগ দিতে এসে ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মাক্রোঁ এই বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা করেছেন।

Advertisement

নয়াদিল্লির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা গড়ে তুলতে ভারতীয় পড়ুয়াদের বাড়তি কিছু সুবিধা দিতে চায় ফ্রান্স। তাই ‘স্টুডেন্টস ভিসা’ আবেদনের পদ্ধতি আরও সরল করার আশ্বাস দিয়েছেন ফরাসি রাষ্ট্রপতি। মাক্রোঁ জানিয়েছেন, প্রতি বছর গড় ১০ হাজার ভারতীয় পড়ুয়া ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি দেন। ২০৩০-এর মধ্যে ওই সংখ্যা যাতে ৩০,০০০-এর গণ্ডি পেরোতে পারে, সেই লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।

ভিসা আবেদনের পাশাপাশি, ইংরেজি মাধ্যমে কোর্সের সংখ্যা বৃদ্ধির কথা ভাবছে ফরাসি সরকার। এ জন্য বিভিন্ন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভারতীয় পড়ুয়ারা যাতে সহজে ভর্তির আবেদন করতে পারেন— তারও ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়াও এ দেশে ফরাসি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এবং জয়েন্ট ডিগ্রি কোর্সের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেতে চলেছে। ফরাসি রাষ্ট্রপতির কথায়, “পিএইচডি শেষ হতে তিন বছর সময় লাগতে পারে, অথচ অনেক সময়ই দেখা যায় ওই পড়ুয়া হয়তো এক বছরের ভিসা পেয়েছে। এই পদ্ধতি যুক্তিযুক্ত নয়। তাই পড়ুয়াদের স্বার্থে ওই নিয়মে রদবদল করা হবে।”

এ ছাড়াও কৃত্রিম মেধার সাহায্যে স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান, প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবায় উন্নতি ঘটাতে দু’দেশের বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বিশেষ গবেষণা কেন্দ্রও চালু হতে চলেছে। সেখানে আগ্রহীদের গবেষণার কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে।

পড়ুয়া এবং গবেষকদের পাশাপাশি, ভারতীয় নাগরিকদের জন্যও বিশেষ ঘোষণা করেছেন ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মাক্রোঁ। নিয়ম অনুযায়ী, ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভারতীয়দের অবতরণের পর আলাদা করে ‘এয়ারপোর্ট ট্রানজ়িট ভিসা’ আবেদন করতে হয়। এই ভিসা থাকলেই তাঁরা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করার অনুমোদন পাবেন। আপাতত ছ’মাসের জন্য পরীক্ষামূলক ভাবে ওই ব্যবস্থা বন্ধ রাখা হবে বলেই জানিয়েছেন ফরাসি রাষ্ট্রপতি। ফলে অভিভাবকদের খানিক সুবিধা হবে বলেই মনে করছেন অনেকে।

Advertisement
আরও পড়ুন